কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় মায়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে জানাজার প্রস্তুতির সময় আবু বক্কার ছিদ্দিক (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন আকস্মিক বিদায়ে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ৮ টার দিকে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের অগ্রেরকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের বাসিন্দা আশাব উদ্দিনের স্ত্রী বানেছা বেগম (৬০) বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগে বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ঢাকা থেকে দ্রুত বাড়িতে ছুটে আসেন ছোট ছেলে আবু বক্কার ছিদ্দিক। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্বজনেরা জানান, শুক্রবার (৫ জুন) সকালে মায়ের জানাজার প্রস্তুতি চলছিল। শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন আবু বক্কর। জানাজা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আবু বক্কার ছিদ্দিক স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। স্থানীয়রা জানান, পরিবারটি অত্যন্ত অসচ্ছল। জীবিকার তাগিদে আবু বক্কার দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় কাজ করছিলেন। মায়ের মৃত্যুশোক সইতে না পেরে তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মরহুমা বানেছা বেগম ও তার ছেলে আবু বক্কার ছিদ্দিকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় মায়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে জানাজার প্রস্তুতির সময় আবু বক্কার ছিদ্দিক (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন আকস্মিক বিদায়ে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত ৮ টার দিকে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের অগ্রেরকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের বাসিন্দা আশাব উদ্দিনের স্ত্রী বানেছা বেগম (৬০) বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগে বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ঢাকা থেকে দ্রুত বাড়িতে ছুটে আসেন ছোট ছেলে আবু বক্কার ছিদ্দিক। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্বজনেরা জানান, শুক্রবার (৫ জুন) সকালে মায়ের জানাজার প্রস্তুতি চলছিল। শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন আবু বক্কর। জানাজা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আবু বক্কার ছিদ্দিক স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। স্থানীয়রা জানান, পরিবারটি অত্যন্ত অসচ্ছল। জীবিকার তাগিদে আবু বক্কার দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় কাজ করছিলেন। মায়ের মৃত্যুশোক সইতে না পেরে তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মরহুমা বানেছা বেগম ও তার ছেলে আবু বক্কার ছিদ্দিকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন