কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় গড়াই নদীর ওপর নির্মিত ৬৫০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতুটি এখন অযত্ন ও অবহেলার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় দেড় বছর ধরে সেতুর অধিকাংশ সড়কবাতি অকেজো থাকায় সন্ধ্যা নামলেই পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়। এতে সাধারণ মানুষ, দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
৮৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি ২০২৩ সালের জুনে উদ্বোধনের পর কয়েক মাস আলোকিত ছিল। এরপর অধিকাংশ বাতি নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে কিছু বাতি মেরামত করা হলেও ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৈদ্যুতিক তার চুরি হয়ে যাওয়ায় সেতুটি সম্পূর্ণ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। বর্তমানে সেতুর ৩৬টি সড়কবাতির অধিকাংশই অকেজো।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শত কোটি টাকার সেতুতে বাতি না থাকা কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা। আলো না থাকায় এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে। ভ্যানচালক রেজাউল ইসলাম বলেন, “লাইট না থাকায় রাতে চলাচল করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্ধকারে প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটছে।”
সেতুটি একসময় দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকলেও এখন চিত্র ভিন্ন। দর্শনার্থী শিমুল ও পরিতোষ ঘোষ জানান, অন্ধকার ও নিরাপত্তার অভাবে রাতে এখন আর কেউ সেতু এলাকায় আসতে চান না।
নিরাপত্তার বিষয়ে কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে সেতু এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে।
এ বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক বলেন, তার চুরি হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে আপাতত বাতিগুলো সচল করা সম্ভব হচ্ছে না। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
তবে এলাকাবাসীর দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, দ্রুত সেতুটি আলোকিত করে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় গড়াই নদীর ওপর নির্মিত ৬৫০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতুটি এখন অযত্ন ও অবহেলার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় দেড় বছর ধরে সেতুর অধিকাংশ সড়কবাতি অকেজো থাকায় সন্ধ্যা নামলেই পুরো এলাকা অন্ধকারে ডুবে যায়। এতে সাধারণ মানুষ, দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীদের চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
৮৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি ২০২৩ সালের জুনে উদ্বোধনের পর কয়েক মাস আলোকিত ছিল। এরপর অধিকাংশ বাতি নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে কিছু বাতি মেরামত করা হলেও ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বৈদ্যুতিক তার চুরি হয়ে যাওয়ায় সেতুটি সম্পূর্ণ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। বর্তমানে সেতুর ৩৬টি সড়কবাতির অধিকাংশই অকেজো।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শত কোটি টাকার সেতুতে বাতি না থাকা কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতা। আলো না থাকায় এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়েছে। ভ্যানচালক রেজাউল ইসলাম বলেন, “লাইট না থাকায় রাতে চলাচল করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্ধকারে প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটছে।”
সেতুটি একসময় দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকলেও এখন চিত্র ভিন্ন। দর্শনার্থী শিমুল ও পরিতোষ ঘোষ জানান, অন্ধকার ও নিরাপত্তার অভাবে রাতে এখন আর কেউ সেতু এলাকায় আসতে চান না।
নিরাপত্তার বিষয়ে কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমিরুল ইসলাম বলেন, অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে সেতু এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হলে অপরাধ অনেকটাই কমে আসবে।
এ বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক বলেন, তার চুরি হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। ফলে আপাতত বাতিগুলো সচল করা সম্ভব হচ্ছে না। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।
তবে এলাকাবাসীর দাবি, শুধু আশ্বাস নয়, দ্রুত সেতুটি আলোকিত করে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন