স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। তবে বর্তমানে পরিকল্পিতভাবে সেই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার একটি উদ্যোগ দৃশ্যমান হচ্ছে। তার মতে, গণতন্ত্র আবারও সংকটের মুখে পড়েছে এবং চারদিকে সুপরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।
শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাব-এ ১৯৬২ সালের জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত বিরোধীদলীয় সদস্য মাহবুবুল হকের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী এবং জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুল আলম তারার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে দেশের রাজনীতি ভয়াবহ পরিণতির দিকে যাচ্ছে। রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে চরিত্রহননের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং সমাজের কাছে তাদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, রাজনীতিকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে একটি ষড়যন্ত্র চলছে, যা সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য অশনিসংকেত।
তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এমন ভাষা ব্যবহার করছে, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও স্বাভাবিক ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। চরিত্রহননের এই প্রবণতা রাজনীতির স্বাভাবিক বিকাশের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর থেকেই কিছু রাজনৈতিক শক্তি এমনভাবে তৎপর হয়েছে যাতে দেশে গণতন্ত্রের চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়। তবে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হওয়াকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব হবে দ্রুত এসব ষড়যন্ত্র চিহ্নিত করে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা।
বিএনপির রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এটি কোনো বিপ্লবী দল নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন এবং নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণই বিএনপির রাজনৈতিক পথ।
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দেশে নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ও কুৎসা রটানো হচ্ছে।
তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নানা চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও জনগণ বিএনপি এবং বর্তমান সরকারের পাশে রয়েছে।
আলোচনা সভায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। তবে বর্তমানে পরিকল্পিতভাবে সেই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার একটি উদ্যোগ দৃশ্যমান হচ্ছে। তার মতে, গণতন্ত্র আবারও সংকটের মুখে পড়েছে এবং চারদিকে সুপরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।
শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাব-এ ১৯৬২ সালের জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত বিরোধীদলীয় সদস্য মাহবুবুল হকের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী এবং জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুল আলম তারার ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে দেশের রাজনীতি ভয়াবহ পরিণতির দিকে যাচ্ছে। রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে চরিত্রহননের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং সমাজের কাছে তাদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, রাজনীতিকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে একটি ষড়যন্ত্র চলছে, যা সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য অশনিসংকেত।
তিনি আরও বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এমন ভাষা ব্যবহার করছে, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও স্বাভাবিক ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। চরিত্রহননের এই প্রবণতা রাজনীতির স্বাভাবিক বিকাশের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর থেকেই কিছু রাজনৈতিক শক্তি এমনভাবে তৎপর হয়েছে যাতে দেশে গণতন্ত্রের চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়। তবে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হওয়াকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব হবে দ্রুত এসব ষড়যন্ত্র চিহ্নিত করে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা।
বিএনপির রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এটি কোনো বিপ্লবী দল নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন এবং নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণই বিএনপির রাজনৈতিক পথ।
অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, দেশে নানামুখী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ও কুৎসা রটানো হচ্ছে।
তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নানা চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও জনগণ বিএনপি এবং বর্তমান সরকারের পাশে রয়েছে।
আলোচনা সভায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন