অবশেষে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের টেকনাফ এলাকা দিয়ে প্রবেশ করেছে বৃষ্টির মৌসুমি বায়ু। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় এক সপ্তাহ দেরিতে শনিবার (৬ জুন) এল এই বায়ু।
দেশে সাধারণত ৩১ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে। এবার তা বেশ দেরিতে এল। অথচ গত বছর ২৫ মের মধ্যেই এসে গিয়েছিল।
তবে মৌসুমি বায়ু আসা মানেই যে দেশজুড়ে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে, এমন নয়। বরং আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
নতুন মৌসুমি বায়ুকে এখন লড়তে হবে সক্রিয় পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, এই দুই বায়ুপ্রবাহের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি কিছুটা কমে যেতে পারে।
তিনি জানান, বিশেষ করে ৯ থেকে ১০ জুন বৃষ্টি কম হতে পারে। সারা দেশে মৌসুমি বায়ু ছড়িয়ে পড়তে চলতি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
চলতি বছর বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে আগেই সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় বায়ুপ্রবাহ এল নিনোর সক্রিয়তার কারণেই এবার বৃষ্টি কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
বাংলাদেশে মোট বৃষ্টির বেশির ভাগ হয় জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয় জুলাই মাসে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হয় জুনে।
টানা কয়েক দিনের তাপপ্রবাহের পর শুক্রবার থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে গতকাল থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে।
তবে শনিবার কিছু এলাকায় আবার তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের কারণে যে বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে দীর্ঘক্ষণ শীতলতা থাকে না। কিন্তু পুবালি বাতাস আসার পর প্রকৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী শীতলতা দেখা দেয়।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
অবশেষে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের টেকনাফ এলাকা দিয়ে প্রবেশ করেছে বৃষ্টির মৌসুমি বায়ু। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় এক সপ্তাহ দেরিতে শনিবার (৬ জুন) এল এই বায়ু।
দেশে সাধারণত ৩১ মে থেকে ১ জুনের মধ্যে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে। এবার তা বেশ দেরিতে এল। অথচ গত বছর ২৫ মের মধ্যেই এসে গিয়েছিল।
তবে মৌসুমি বায়ু আসা মানেই যে দেশজুড়ে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে, এমন নয়। বরং আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
নতুন মৌসুমি বায়ুকে এখন লড়তে হবে সক্রিয় পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, এই দুই বায়ুপ্রবাহের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি কিছুটা কমে যেতে পারে।
তিনি জানান, বিশেষ করে ৯ থেকে ১০ জুন বৃষ্টি কম হতে পারে। সারা দেশে মৌসুমি বায়ু ছড়িয়ে পড়তে চলতি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
চলতি বছর বর্ষা মৌসুমে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে আগেই সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘প্রশান্ত মহাসাগরীয় বায়ুপ্রবাহ এল নিনোর সক্রিয়তার কারণেই এবার বৃষ্টি কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
বাংলাদেশে মোট বৃষ্টির বেশির ভাগ হয় জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয় জুলাই মাসে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হয় জুনে।
টানা কয়েক দিনের তাপপ্রবাহের পর শুক্রবার থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে গতকাল থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে।
তবে শনিবার কিছু এলাকায় আবার তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। পশ্চিমা লঘুচাপের কারণে যে বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে দীর্ঘক্ষণ শীতলতা থাকে না। কিন্তু পুবালি বাতাস আসার পর প্রকৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী শীতলতা দেখা দেয়।

আপনার মতামত লিখুন