ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার খান ইউনিসে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে বরসহ পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। শনিবার (৬ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য তৈরি অস্থায়ী ‘বিয়ের তাঁবু’ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী এ হামলা চালায়।
দুটি যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তাঁবুটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে বর মুহান্দ ওসমান ফারাওনাও রয়েছেন। তিনি বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে প্যালেস্টাইন ক্রনিক্যাল।
গাজার আল-শিফা হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনের এক টুকরো ফেরানোর আশায় ওই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই তা পরিণত হয় রক্তাতর্ক নরকে।
ক্ষেপণাস্ত্রের স্প্লিন্টারগুলো পাশের বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে পড়ে। স্কুলটিতে ছিল হাজারো বাস্তুচ্যুত পরিবার।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৯৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজা মানবাধিকার কেন্দ্রের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ৫৩৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ হাজার ৭৮২ জন আহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হলেও গাজার বেসামরিক এলাকা, হাসপাতাল ও আশ্রয়শিবিরে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার খান ইউনিসে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে বরসহ পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। শনিবার (৬ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের একটি শরণার্থী শিবিরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য তৈরি অস্থায়ী ‘বিয়ের তাঁবু’ লক্ষ্য করে ইসরায়েলি বাহিনী এ হামলা চালায়।
দুটি যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তাঁবুটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলেই পাঁচজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে বর মুহান্দ ওসমান ফারাওনাও রয়েছেন। তিনি বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে প্যালেস্টাইন ক্রনিক্যাল।
গাজার আল-শিফা হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও স্বাভাবিক জীবনের এক টুকরো ফেরানোর আশায় ওই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই তা পরিণত হয় রক্তাতর্ক নরকে।
ক্ষেপণাস্ত্রের স্প্লিন্টারগুলো পাশের বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে পড়ে। স্কুলটিতে ছিল হাজারো বাস্তুচ্যুত পরিবার।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৯৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজা মানবাধিকার কেন্দ্রের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে ৫৩৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ হাজার ৭৮২ জন আহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হলেও গাজার বেসামরিক এলাকা, হাসপাতাল ও আশ্রয়শিবিরে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন