অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হতে যাচ্ছেন। খিজির হায়াত খান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ওরা সাতজন-এ পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে নাটক ও অভিনয়জগতে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে আসা অর্ষা দর্শকদের কাছে একজন গুণী অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত।
অনেকের মতে, তার
অভিনয় প্রতিভার যথাযথ মূল্যায়ন সবসময় হয়নি। তবে এসব আলোচনা নিয়ে খুব বেশি ভাবেন না
অর্ষা; বরং ভালো গল্প ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি।
পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে অর্ষা বলেন, এই অর্জন তার জন্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত
ছিল। তবে আনন্দের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে তার প্রয়াত মাকে। তিনি বলেন, তার
অভিনয়জীবনের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন মা, আর ওরা সাতজন সিনেমাটিও মা তার সঙ্গে
প্রেক্ষাগৃহে বসে দেখেছিলেন।
অর্ষার ভাষায়,
“জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া অবশ্যই আনন্দের বিষয়। কিন্তু যার কারণে আমার এই পথচলা,
যিনি আমার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন, তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। মা বেঁচে থাকলে এই অর্জন
শতভাগ পরিপূর্ণতা পেত। তাই আনন্দের মাঝেও এক ধরনের শূন্যতা অনুভব করছি।” তিনি আরও জানান,
এই সম্মাননার জন্য তিনি চলচ্চিত্রটির পরিচালক, সংশ্লিষ্ট কলাকুশলী, বিচারকম-লী এবং
তার ভক্ত-দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বর্তমানে অর্ষা ব্যস্ত রয়েছেন খুশবু নাটকের শুটিং
নিয়ে, যা দীপ্ত টিভি-তে প্রচারিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫
সালে অর্ষার মা ‘মা পদক ২০২৫’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছিলেন, যা তিনি নিজ হাতে গ্রহণ করেছিলেন।
আর এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের স্বীকৃতি পেলেন তারই কন্যা অর্ষা—যা নিঃসন্দেহে
তার অভিনয়জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হতে যাচ্ছেন। খিজির হায়াত খান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ওরা সাতজন-এ পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে নাটক ও অভিনয়জগতে নিজের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে আসা অর্ষা দর্শকদের কাছে একজন গুণী অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত।
অনেকের মতে, তার
অভিনয় প্রতিভার যথাযথ মূল্যায়ন সবসময় হয়নি। তবে এসব আলোচনা নিয়ে খুব বেশি ভাবেন না
অর্ষা; বরং ভালো গল্প ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি।
পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে অর্ষা বলেন, এই অর্জন তার জন্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত
ছিল। তবে আনন্দের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে তার প্রয়াত মাকে। তিনি বলেন, তার
অভিনয়জীবনের পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন মা, আর ওরা সাতজন সিনেমাটিও মা তার সঙ্গে
প্রেক্ষাগৃহে বসে দেখেছিলেন।
অর্ষার ভাষায়,
“জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া অবশ্যই আনন্দের বিষয়। কিন্তু যার কারণে আমার এই পথচলা,
যিনি আমার সবচেয়ে বড় শক্তি ছিলেন, তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই। মা বেঁচে থাকলে এই অর্জন
শতভাগ পরিপূর্ণতা পেত। তাই আনন্দের মাঝেও এক ধরনের শূন্যতা অনুভব করছি।” তিনি আরও জানান,
এই সম্মাননার জন্য তিনি চলচ্চিত্রটির পরিচালক, সংশ্লিষ্ট কলাকুশলী, বিচারকম-লী এবং
তার ভক্ত-দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞ। বর্তমানে অর্ষা ব্যস্ত রয়েছেন খুশবু নাটকের শুটিং
নিয়ে, যা দীপ্ত টিভি-তে প্রচারিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫
সালে অর্ষার মা ‘মা পদক ২০২৫’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছিলেন, যা তিনি নিজ হাতে গ্রহণ করেছিলেন।
আর এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের স্বীকৃতি পেলেন তারই কন্যা অর্ষা—যা নিঃসন্দেহে
তার অভিনয়জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।

আপনার মতামত লিখুন