ভুটানের পুনাখা এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে কেঁপে উঠেছে ঢাকাসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা। রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।
দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভুটানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পুনাখার ১৫ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬ ।
ইউরোপীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ৫০টিরও বেশি সিসমিক স্টেশন থেকে তথ্য যাচাই করে তারা এই পরিমাপ নিশ্চিত করেছে।
ইতালির জাতীয় ভূপদার্থবিদ্যা ও আগ্নেয়গিরিবিদ্যা ইনস্টিটিউট (আইএনজিভি) রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির সর্বোচ্চ মাত্রা ৫.৮ রেকর্ড করেছে। বিভিন্ন ভূকম্পন গবেষণা কেন্দ্র ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.২ থেকে ৫.৮ পর্যন্ত উল্লেখ করেছে।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্রভূমি পুনাখা শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।
দেশের রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ।
অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট, কুষ্টিয়া, গাইবান্ধা, নীলফামারী, সৈয়দপুর, বগুড়া, শেরপুরে। তাছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
রিখটার স্কেলে ৫.৬ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে জার্মানির জিওফোরশুং জেন্ট্রাম (জিএফজেড)। এর প্রভাবে ভারত, নেপাল ও চীন সহ আশেপাশের বিভিন্ন দেশেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্টস সিস্টেম জানিয়েছে ।
তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ভূতাত্ত্বিকরা মনে করছেন, এই ভূমিকম্পটি তুলনামূলকভাবে অগভীর গভীরতায় হওয়ায় এর প্রভাব অধিক এলাকাজুড়ে অনুভূত হয়েছে। হিমালয় অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত, কারণ এখানে ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ চলছে ।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বলছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের বিপর্যয়ের খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
ভুটানের পুনাখা এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে কেঁপে উঠেছে ঢাকাসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা। রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।
দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভুটানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পুনাখার ১৫ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬ ।
ইউরোপীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ৫০টিরও বেশি সিসমিক স্টেশন থেকে তথ্য যাচাই করে তারা এই পরিমাপ নিশ্চিত করেছে।
ইতালির জাতীয় ভূপদার্থবিদ্যা ও আগ্নেয়গিরিবিদ্যা ইনস্টিটিউট (আইএনজিভি) রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির সর্বোচ্চ মাত্রা ৫.৮ রেকর্ড করেছে। বিভিন্ন ভূকম্পন গবেষণা কেন্দ্র ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.২ থেকে ৫.৮ পর্যন্ত উল্লেখ করেছে।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্রভূমি পুনাখা শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ।
দেশের রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ।
অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট, কুষ্টিয়া, গাইবান্ধা, নীলফামারী, সৈয়দপুর, বগুড়া, শেরপুরে। তাছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
রিখটার স্কেলে ৫.৬ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে জার্মানির জিওফোরশুং জেন্ট্রাম (জিএফজেড)। এর প্রভাবে ভারত, নেপাল ও চীন সহ আশেপাশের বিভিন্ন দেশেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্টস সিস্টেম জানিয়েছে ।
তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ভূতাত্ত্বিকরা মনে করছেন, এই ভূমিকম্পটি তুলনামূলকভাবে অগভীর গভীরতায় হওয়ায় এর প্রভাব অধিক এলাকাজুড়ে অনুভূত হয়েছে। হিমালয় অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত, কারণ এখানে ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ চলছে ।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বলছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের বিপর্যয়ের খবর পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন