রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় আদালতের দেওয়া রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।
আজ রোববার
(৭ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে
এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নিজের
সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে 'ভি' (জয়) চিহ্ন প্রদর্শন করেন নিহত শিশুর বাবা।
আলোচিত এই মামলায়
আদালত প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
আদালত চত্বরে
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, "আমি আলহামদুলিল্লাহ খুশি। এই রায়ে
আমার মনের যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা ছিল তা আমি পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ আমি শতভাগ আশাবাদী
যে এই রায় দ্রুত কার্যকর হবে।"
তিনি আরও বলেন,
"আল্লাহ পাকের অশেষ রহমত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যেই আমরা আমাদের
কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।"
বিপদের দিনে
পাশে থাকা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রামিসার বাবা বলেন, "মাননীয় বিচারক, পুলিশ
প্রশাসন, সাংবাদিক ভাই ও বাংলাদেশের আপামর জনতা যারা আমার ও আমার পরিবারের এই কঠিন
বিপদের সময়ে মানসিকভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, সহায়তা করেছেন—সবার নিকট আমি আন্তরিকভাবে
কৃতজ্ঞ।"
সন্তানহারা
এই বাবা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়ে বলেন, "আমি এখন শুধু আমার মেয়ের হত্যাকারীদের
এই ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।"

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় আদালতের দেওয়া রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।
আজ রোববার
(৭ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে
এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নিজের
সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে 'ভি' (জয়) চিহ্ন প্রদর্শন করেন নিহত শিশুর বাবা।
আলোচিত এই মামলায়
আদালত প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
আদালত চত্বরে
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, "আমি আলহামদুলিল্লাহ খুশি। এই রায়ে
আমার মনের যে প্রত্যাশা, যে আকাঙ্ক্ষা ছিল তা আমি পেয়েছি। ইনশাআল্লাহ আমি শতভাগ আশাবাদী
যে এই রায় দ্রুত কার্যকর হবে।"
তিনি আরও বলেন,
"আল্লাহ পাকের অশেষ রহমত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যেই আমরা আমাদের
কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।"
বিপদের দিনে
পাশে থাকা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রামিসার বাবা বলেন, "মাননীয় বিচারক, পুলিশ
প্রশাসন, সাংবাদিক ভাই ও বাংলাদেশের আপামর জনতা যারা আমার ও আমার পরিবারের এই কঠিন
বিপদের সময়ে মানসিকভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, সহায়তা করেছেন—সবার নিকট আমি আন্তরিকভাবে
কৃতজ্ঞ।"
সন্তানহারা
এই বাবা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়ে বলেন, "আমি এখন শুধু আমার মেয়ের হত্যাকারীদের
এই ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।"

আপনার মতামত লিখুন