রাজধানীর পল্লবীতে বহুল আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) হাইকোর্টে পাঠানোর কথা রয়েছে। বিচারকের সই সম্পন্ন হওয়ার পরপরই এই নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে।
এর আগে, গত
রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন
এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী
স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার পরদিন, অর্থাৎ সোমবার (৮ জুন) দুই
আসামিকে কনডেম সেলে নেওয়া হয়েছে।
মেধাবী ও দ্রুততম
বিচার প্রক্রিয়ার নজির গড়ে মাত্র চার কার্যদিবসে এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। মামলার
প্রক্রিয়াটি ছিল নিম্নরূপ:
১ জুন: আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে
অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
২ জুন: মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মাত্র
একদিনেই ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়।
৩ জুন: আদালতে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানি
অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ
ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন এবং গত
রোববার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করা হয়।
আজ বিচারকের
চূড়ান্ত সই শেষে মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পৌঁছানোর মাধ্যমে পরবর্তী আইনি
প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে বহুল আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) হাইকোর্টে পাঠানোর কথা রয়েছে। বিচারকের সই সম্পন্ন হওয়ার পরপরই এই নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে।
এর আগে, গত
রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন
এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী
স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার পরদিন, অর্থাৎ সোমবার (৮ জুন) দুই
আসামিকে কনডেম সেলে নেওয়া হয়েছে।
মেধাবী ও দ্রুততম
বিচার প্রক্রিয়ার নজির গড়ে মাত্র চার কার্যদিবসে এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। মামলার
প্রক্রিয়াটি ছিল নিম্নরূপ:
১ জুন: আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে
অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
২ জুন: মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মাত্র
একদিনেই ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করা হয়।
৩ জুন: আদালতে আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানি
অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ
ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন এবং গত
রোববার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করা হয়।
আজ বিচারকের
চূড়ান্ত সই শেষে মামলার ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পৌঁছানোর মাধ্যমে পরবর্তী আইনি
প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন