সংবাদ

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৯ জুন ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকার পল্লবীতে আট বছরের রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায়সহ পুরো মামলার নথি উচ্চ আদালতে এসেছে।

মঙ্গলবার (৮ জুন) আসামিদের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ নথি উচ্চ আদালতে পাঠানোর আদেশ দেয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বলেন, “৬৯ পৃষ্ঠার রায়ের কপি, তিন পৃষ্ঠার ডেথ রেফারেন্সসহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি লাল কাপড়ে মুড়িয়ে উচ্চ আদালতের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়েছে।”

এদিন বিকাল ৪টার দিকে এই আলোচিত  মামলার নথি বা কেস ডকেট হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছেছে বলে জানান অধস্তন আদালতের এক কর্মকর্তা।

দুই কার্যদিবসে রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার পেপারবুক প্রস্তুত হলে আগামি সপ্তাহেই তা শুনানির জন্য হাইকোর্টে উত্থাপন করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। 

এর আগে গত রোববার মামলার রায়ে বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। রায় ঘোষণার পর বিচারিক আদালত থেকে দ্রুততম সময়ে মামলার যাবতীয় নথি হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়। এর সঙ্গে দণ্ডিত আসামিদের আপিল যুক্ত করে ক্রমানুসারে সাজিয়ে যে ভলিউম বা বই তৈরি করা হয়, তাকে পেপারবুক বলা হয়। হাইকোর্ট এই পেপারবুকের ভিত্তিতেই আপিল ও ডেথ রেফারেন্স নিষ্পত্তি করে থাকেন।

ধর্ষণ- হত্যাকাণ্ড থেকে মৃত্যুদন্ডাদেশ

পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশন এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে পরিবারের সঙ্গে থাকত রামিসা। সে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। আসামি সোহেল ও স্বপ্না ওই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে সাবলেট থাকতেন।

গত ১৯ মে দুপুরে সোহেলদের বাসা থেকে রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সেখান থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বপ্না বলেন, রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেন সোহেল। লাশ গুম করার জন্য মাথা ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন এবং দুই হাত কাঁধ থেকে অর্ধ বিচ্ছিন্ন করে মৃতদেহ বাথরুম থেকে এনে শোবার ঘরের খাটের নিচে রেখে দেন। কাটা মাথা বাথরুমের বালতির মধ্যে রেখে জানালার গ্রিল কেটে সোহেল পালিয়ে যান।

রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ঘটনার দিনই দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন। পরদিন সোহেল দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর স্বপ্নাকেও পাঠানো হয় কারাগারে।

ধর্ষণ ও হত্যার নৃশংস ঘটনাটি সারাদেশে ক্ষোভের জন্ম দেয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাসায় গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। আশ্বাস দেন, বিচার দ্রুত শেষ করার।

ঘটনার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ মে দুপুরে সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। সেদিনই বিচারের জন্য প্রস্তুত করে মামলার নথিপত্র ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলার বিচারকাজ চালিয়ে নিতে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের অবকাশকালীন ছুটি বাতিল করা হয়। আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

পরদিন সকালে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। একদিনেই ১৬ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়।

৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়। বিচারক সেদিন আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং ১৬ জনের সাক্ষ্য পড়ে শোনান। বিচারক তাদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী না নির্দোষ উত্তরে স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তবে সোহেল রানা ক্ষমা চান। বলেন, “স্যার, আমি নির্দোষ। খালাস চাই।”

পরদিন ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে দুই পক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান।

অন্যদিকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দুলু। 

রায়ের পর্যবেক্ষণের বিচারক বলেন, “শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের এই মামলাটি কেবল একটি ফৌজদারি বিচারিক কার্যক্রম নয়। এটি আমাদের সমাজের বিবেক, মানবতা, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং আইনের শাসনের প্রতি এক গভীর ও কঠিন পরীক্ষা।

“একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন নির্মমভাবে নিভিয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এ মামলার প্রতিটি পৃষ্ঠা বেদনা, ক্ষোভ, উদ্বেগ এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় পরিপূর্ণ।”

তিনি বলেন, “শিশুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। যখন কোনো শিশু যৌন নির্যাতন, সহিংসতা কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের শিকার হয়, তখন তা শুধু একটি পরিবারকে নয়, সমগ্র সমাজকে গভীরভাবে আহত করে এবং রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়।”

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬

featured Image

ঢাকার পল্লবীতে আট বছরের রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায়সহ পুরো মামলার নথি উচ্চ আদালতে এসেছে।

মঙ্গলবার (৮ জুন) আসামিদের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ নথি উচ্চ আদালতে পাঠানোর আদেশ দেয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বলেন, “৬৯ পৃষ্ঠার রায়ের কপি, তিন পৃষ্ঠার ডেথ রেফারেন্সসহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি লাল কাপড়ে মুড়িয়ে উচ্চ আদালতের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়েছে।”

এদিন বিকাল ৪টার দিকে এই আলোচিত  মামলার নথি বা কেস ডকেট হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছেছে বলে জানান অধস্তন আদালতের এক কর্মকর্তা।

দুই কার্যদিবসে রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলার পেপারবুক প্রস্তুত হলে আগামি সপ্তাহেই তা শুনানির জন্য হাইকোর্টে উত্থাপন করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। 

এর আগে গত রোববার মামলার রায়ে বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি সোহেলকে ৫ লাখ টাকা ও স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারকে বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। রায় ঘোষণার পর বিচারিক আদালত থেকে দ্রুততম সময়ে মামলার যাবতীয় নথি হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়। এর সঙ্গে দণ্ডিত আসামিদের আপিল যুক্ত করে ক্রমানুসারে সাজিয়ে যে ভলিউম বা বই তৈরি করা হয়, তাকে পেপারবুক বলা হয়। হাইকোর্ট এই পেপারবুকের ভিত্তিতেই আপিল ও ডেথ রেফারেন্স নিষ্পত্তি করে থাকেন।

ধর্ষণ- হত্যাকাণ্ড থেকে মৃত্যুদন্ডাদেশ

পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশন এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে পরিবারের সঙ্গে থাকত রামিসা। সে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। আসামি সোহেল ও স্বপ্না ওই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে সাবলেট থাকতেন।

গত ১৯ মে দুপুরে সোহেলদের বাসা থেকে রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সেখান থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বপ্না বলেন, রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেন সোহেল। লাশ গুম করার জন্য মাথা ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন এবং দুই হাত কাঁধ থেকে অর্ধ বিচ্ছিন্ন করে মৃতদেহ বাথরুম থেকে এনে শোবার ঘরের খাটের নিচে রেখে দেন। কাটা মাথা বাথরুমের বালতির মধ্যে রেখে জানালার গ্রিল কেটে সোহেল পালিয়ে যান।

রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ঘটনার দিনই দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন। পরদিন সোহেল দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর স্বপ্নাকেও পাঠানো হয় কারাগারে।

ধর্ষণ ও হত্যার নৃশংস ঘটনাটি সারাদেশে ক্ষোভের জন্ম দেয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাসায় গিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। আশ্বাস দেন, বিচার দ্রুত শেষ করার।

ঘটনার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ মে দুপুরে সোহেল ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। সেদিনই বিচারের জন্য প্রস্তুত করে মামলার নথিপত্র ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলার বিচারকাজ চালিয়ে নিতে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের অবকাশকালীন ছুটি বাতিল করা হয়। আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

পরদিন সকালে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। একদিনেই ১৬ জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়।

৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি হয়। বিচারক সেদিন আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এবং ১৬ জনের সাক্ষ্য পড়ে শোনান। বিচারক তাদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী না নির্দোষ উত্তরে স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তবে সোহেল রানা ক্ষমা চান। বলেন, “স্যার, আমি নির্দোষ। খালাস চাই।”

পরদিন ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে দুই পক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান।

অন্যদিকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দুলু। 

রায়ের পর্যবেক্ষণের বিচারক বলেন, “শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের এই মামলাটি কেবল একটি ফৌজদারি বিচারিক কার্যক্রম নয়। এটি আমাদের সমাজের বিবেক, মানবতা, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং আইনের শাসনের প্রতি এক গভীর ও কঠিন পরীক্ষা।

“একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন নির্মমভাবে নিভিয়ে দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এ মামলার প্রতিটি পৃষ্ঠা বেদনা, ক্ষোভ, উদ্বেগ এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় পরিপূর্ণ।”

তিনি বলেন, “শিশুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। যখন কোনো শিশু যৌন নির্যাতন, সহিংসতা কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের শিকার হয়, তখন তা শুধু একটি পরিবারকে নয়, সমগ্র সমাজকে গভীরভাবে আহত করে এবং রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়।”


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত