সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির আইনি লড়াইয়ে যুক্ত হলো নতুন মোড়। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা আরও আটটি মামলার মধ্যে একটিতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন তিনি। তবে স্বস্তি মেলেনি পুরোপুরি; বাকি সাতটি মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। এই নিয়ে দুই ধাপে মোট দুটি মামলায় জামিন এবং ১৩টি মামলায় রুল পেলেন সাবেক এই ক্ষমতাধর মন্ত্রী।
মঙ্গলবার
বিচারপতি মো. খায়রুল আলম
ও বিচারপতি এ কে এম
রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ
শুনানি শেষে এই আদেশ
দেন।
আদালতের
এই আদেশের পর ডা. দীপু
মনির মামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে তার
আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম
বলেন, “আজকের শুনানিতে দীপু মনির মোট
আটটি মামলার বিষয়ে আদেশ হয়েছে। এর
মধ্যে সাতটিতে আদালত রুল জারি করেছেন
এবং একটিতে জামিন দিয়েছেন। রুল জারি হওয়া
মামলাগুলোতে কেন আসামিকে জামিন
দেওয়া হবে না, তা
জানতে চেয়েছেন আদালত।”
তিনি
আরও স্পষ্ট করে বলেন, “আজ
অবধি ডা. দীপু মনির
বিরুদ্ধে থাকা ১৫টি মামলার
মধ্যে দুইটিতে জামিন পাওয়া গেছে এবং ১৩টিতে
রুল জারি রয়েছে। এর
আগে গত সপ্তাহে একটি
মামলায় জামিন পেয়েছিলেন তিনি। এগুলো স্থায়ী জামিন নয়, অন্তর্বর্তীকালীন জামিন।
অর্থাৎ, মোট ১৫টি মামলার
মধ্যে দুইটিতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন এবং ১৩টিতে রুলের
আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।”
আইনজীবী
জানান, তেজগাঁও, কাকরাইল, পল্টন ও যাত্রাবাড়ী থানার
এসব মামলা ছাড়াও হত্যা, দুর্নীতি ও সহিংসতার অভিযোগে
তার বিরুদ্ধে প্রায় ৭০টি মামলা রয়েছে,
যার মধ্যে ৩৮টিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো
হয়েছে।
২০০৮
সালে দেশের প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে
ইতিহাস গড়া দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রীর পর সর্বশেষ সমাজকল্যাণ
মন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। তবে গত ৫
আগস্ট পটপরিবর্তনের পর ১৯ আগস্ট
বারিধারা থেকে গ্রেপ্তার হন
তিনি। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি
এই সাবেক মন্ত্রীর জীবনে এখন কেবলই আইনি
লড়াই আর পারিবারিক উদ্বেগের
ছায়া।
জানা
গেছে, দীপু মনির স্বামী
তৌফীক নাওয়াজ বর্তমানে মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। এই পরিস্থিতিতে অসুস্থ
বাবাকে দেখতে মায়ের সাত দিনের প্যারোলে
মুক্তি চেয়ে গত ২৭
মে মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে
আবেদন জানিয়েছেন তাদের মেয়ে তানি দীপাবলী
নাওয়াজ।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির আইনি লড়াইয়ে যুক্ত হলো নতুন মোড়। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা আরও আটটি মামলার মধ্যে একটিতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন তিনি। তবে স্বস্তি মেলেনি পুরোপুরি; বাকি সাতটি মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। এই নিয়ে দুই ধাপে মোট দুটি মামলায় জামিন এবং ১৩টি মামলায় রুল পেলেন সাবেক এই ক্ষমতাধর মন্ত্রী।
মঙ্গলবার
বিচারপতি মো. খায়রুল আলম
ও বিচারপতি এ কে এম
রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ
শুনানি শেষে এই আদেশ
দেন।
আদালতের
এই আদেশের পর ডা. দীপু
মনির মামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে তার
আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম
বলেন, “আজকের শুনানিতে দীপু মনির মোট
আটটি মামলার বিষয়ে আদেশ হয়েছে। এর
মধ্যে সাতটিতে আদালত রুল জারি করেছেন
এবং একটিতে জামিন দিয়েছেন। রুল জারি হওয়া
মামলাগুলোতে কেন আসামিকে জামিন
দেওয়া হবে না, তা
জানতে চেয়েছেন আদালত।”
তিনি
আরও স্পষ্ট করে বলেন, “আজ
অবধি ডা. দীপু মনির
বিরুদ্ধে থাকা ১৫টি মামলার
মধ্যে দুইটিতে জামিন পাওয়া গেছে এবং ১৩টিতে
রুল জারি রয়েছে। এর
আগে গত সপ্তাহে একটি
মামলায় জামিন পেয়েছিলেন তিনি। এগুলো স্থায়ী জামিন নয়, অন্তর্বর্তীকালীন জামিন।
অর্থাৎ, মোট ১৫টি মামলার
মধ্যে দুইটিতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন এবং ১৩টিতে রুলের
আদেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত।”
আইনজীবী
জানান, তেজগাঁও, কাকরাইল, পল্টন ও যাত্রাবাড়ী থানার
এসব মামলা ছাড়াও হত্যা, দুর্নীতি ও সহিংসতার অভিযোগে
তার বিরুদ্ধে প্রায় ৭০টি মামলা রয়েছে,
যার মধ্যে ৩৮টিতে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো
হয়েছে।
২০০৮
সালে দেশের প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে
ইতিহাস গড়া দীপু মনি
শিক্ষামন্ত্রীর পর সর্বশেষ সমাজকল্যাণ
মন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। তবে গত ৫
আগস্ট পটপরিবর্তনের পর ১৯ আগস্ট
বারিধারা থেকে গ্রেপ্তার হন
তিনি। বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি
এই সাবেক মন্ত্রীর জীবনে এখন কেবলই আইনি
লড়াই আর পারিবারিক উদ্বেগের
ছায়া।
জানা
গেছে, দীপু মনির স্বামী
তৌফীক নাওয়াজ বর্তমানে মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। এই পরিস্থিতিতে অসুস্থ
বাবাকে দেখতে মায়ের সাত দিনের প্যারোলে
মুক্তি চেয়ে গত ২৭
মে মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে
আবেদন জানিয়েছেন তাদের মেয়ে তানি দীপাবলী
নাওয়াজ।

আপনার মতামত লিখুন