খাদ্যপণ্যে ভেজাল ও অনিয়মের অভিযোগে রাজবাড়ী সদর উপজেলার অন্তরমোড় এলাকায় ‘মায়ের দোয়া ফুড প্রোডাক্টস’ নামের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। অভিযানে টেক্সটাইল রং (কাপড় তৈরির রং) মিশিয়ে তৈরি করা ১২০ কেজি বুটের ডাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে পরিচালিত এই অভিযানে কারখানার ভেতর থেকে ৫০০ গ্রাম ক্ষতিকর লাল টেক্সটাইল রং উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে কারখানার উৎপাদনকারী ওই রং বুটের ডালে ব্যবহার করার বিষয়টি স্বীকার করেন।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, কারখানাটিতে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুখাদ্য তৈরি হচ্ছিল। সেখানকার গুদামে সংরক্ষিত গুড় ছিল ময়লা ও পিঁপড়াযুক্ত। ডাল ভাজার কাজে ব্যবহৃত তেল ছিল অতিরিক্ত পোড়া ও কালো। মসলা মাখানোর জায়গাসহ পুরো উৎপাদন এলাকা ছিল নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন। এ ছাড়া কাঁচামাল ও প্রস্তুত করা পণ্য সরাসরি মেঝেতে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং মিক্সার ও রোলিং মেশিনেও ছিল ময়লার পুরু স্তর।
কারখানার সার্বিক পরিবেশ শিশুখাদ্য উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কারখানার উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে মালিকপক্ষকে একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।
রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. আসিফুর রহমান বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি করে এমন খাদ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মানুষের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এই ধরনের তদারকি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
/

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
খাদ্যপণ্যে ভেজাল ও অনিয়মের অভিযোগে রাজবাড়ী সদর উপজেলার অন্তরমোড় এলাকায় ‘মায়ের দোয়া ফুড প্রোডাক্টস’ নামের একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। অভিযানে টেক্সটাইল রং (কাপড় তৈরির রং) মিশিয়ে তৈরি করা ১২০ কেজি বুটের ডাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে পরিচালিত এই অভিযানে কারখানার ভেতর থেকে ৫০০ গ্রাম ক্ষতিকর লাল টেক্সটাইল রং উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে কারখানার উৎপাদনকারী ওই রং বুটের ডালে ব্যবহার করার বিষয়টি স্বীকার করেন।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, কারখানাটিতে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুখাদ্য তৈরি হচ্ছিল। সেখানকার গুদামে সংরক্ষিত গুড় ছিল ময়লা ও পিঁপড়াযুক্ত। ডাল ভাজার কাজে ব্যবহৃত তেল ছিল অতিরিক্ত পোড়া ও কালো। মসলা মাখানোর জায়গাসহ পুরো উৎপাদন এলাকা ছিল নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন। এ ছাড়া কাঁচামাল ও প্রস্তুত করা পণ্য সরাসরি মেঝেতে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং মিক্সার ও রোলিং মেশিনেও ছিল ময়লার পুরু স্তর।
কারখানার সার্বিক পরিবেশ শিশুখাদ্য উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কারখানার উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে মালিকপক্ষকে একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।
রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. আসিফুর রহমান বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি করে এমন খাদ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মানুষের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এই ধরনের তদারকি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
/

আপনার মতামত লিখুন