রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চন্দলাই গ্রামের মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন (৬৫) আড়াই মাস নিখোঁজ থাকার পর পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন। জামালপুরের বকশীগঞ্জের কামালপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘পুশইন’ থেকে উদ্ধারের পর তাকে শনাক্ত করেন স্বজনেরা। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে তিনি নিজ বাড়িতে পৌঁছান।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পেশায় কৃষক ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন তিন বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। প্রায়ই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হতেন। সর্বশেষ আড়াই মাস আগে তিনি নিখোঁজ হন। সম্প্রতি কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফের পুশইনের শিকার এক বৃদ্ধের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার পরিচয় নিশ্চিত হয় পরিবার। এরপর তার বড় ভাই ভবানী বর্মন ও জামাতা গৌর চন্দ্র বর্মন জামালপুরে গিয়ে বিজিবি ও পুলিশের সহায়তায় তাকে নিয়ে আসেন।
ষষ্ঠীর স্ত্রী বিশ্বকা রানী ও তিন মেয়ের পরিবার এখন তাকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত। তবে ষষ্ঠী চন্দ্র কীভাবে রাজশাহী থেকে জামালপুর সীমান্তে পৌঁছালেন, সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারছেন না। বড় ভাই ভবানী বর্মন বলেন, ‘আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। অভাবের সংসারে তার চিকিৎসা ও ভরণপোষণ কঠিন হয়ে পড়েছে। আমরা চাই এমন বিপদে যেন আর কেউ না পড়ে।’
/

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চন্দলাই গ্রামের মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন (৬৫) আড়াই মাস নিখোঁজ থাকার পর পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন। জামালপুরের বকশীগঞ্জের কামালপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘পুশইন’ থেকে উদ্ধারের পর তাকে শনাক্ত করেন স্বজনেরা। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে তিনি নিজ বাড়িতে পৌঁছান।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পেশায় কৃষক ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন তিন বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। প্রায়ই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হতেন। সর্বশেষ আড়াই মাস আগে তিনি নিখোঁজ হন। সম্প্রতি কামালপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফের পুশইনের শিকার এক বৃদ্ধের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার পরিচয় নিশ্চিত হয় পরিবার। এরপর তার বড় ভাই ভবানী বর্মন ও জামাতা গৌর চন্দ্র বর্মন জামালপুরে গিয়ে বিজিবি ও পুলিশের সহায়তায় তাকে নিয়ে আসেন।
ষষ্ঠীর স্ত্রী বিশ্বকা রানী ও তিন মেয়ের পরিবার এখন তাকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত। তবে ষষ্ঠী চন্দ্র কীভাবে রাজশাহী থেকে জামালপুর সীমান্তে পৌঁছালেন, সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারছেন না। বড় ভাই ভবানী বর্মন বলেন, ‘আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। অভাবের সংসারে তার চিকিৎসা ও ভরণপোষণ কঠিন হয়ে পড়েছে। আমরা চাই এমন বিপদে যেন আর কেউ না পড়ে।’
/

আপনার মতামত লিখুন