প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই সফরের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা ঐতিহাসিক পাতলীখাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন এবং সেখানে আয়োজিত একটি পথসভায় অংশ নেবেন। এরপর দুপুর ১২টায় চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং পার্কটি পরিদর্শন করবেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, দুপুর ১টায় পেকুয়া উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর দুপুর ২টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা এবং পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে রাজনৈতিক জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। জনসভা শেষে সন্ধ্যায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাত ৮টায় কক্সবাজার শহরের লং বিচ হোটেল মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে রাত ১০টায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সেই ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।
এর আগে, সকাল পৌনে ৯টায় রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে সড়ক পথে শাহজালাল বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী এবং সকাল ৯টায় বিমানটি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
এই সফর উপলক্ষে একদিন আগেই কক্সবাজারে এসে পৌঁছেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
চারদলীয় জোট সরকারের সময় দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে কক্সবাজার সফরের পর এবার দীর্ঘ বিরতি শেষে পুনরায় এই জেলায় এলেন তারেক রহমান। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর পর্যটন নগরীতে এটিই তার প্রথম সরকারি সফর।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই সফরের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রী সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা ঐতিহাসিক পাতলীখাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন এবং সেখানে আয়োজিত একটি পথসভায় অংশ নেবেন। এরপর দুপুর ১২টায় চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং পার্কটি পরিদর্শন করবেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, দুপুর ১টায় পেকুয়া উপজেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ মো. ওয়াসিমের কবর জিয়ারত এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর দুপুর ২টায় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলা এবং পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে রাজনৈতিক জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। জনসভা শেষে সন্ধ্যায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর রাত ৮টায় কক্সবাজার শহরের লং বিচ হোটেল মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে রাত ১০টায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সেই ঢাকার উদ্দেশ্যে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।
এর আগে, সকাল পৌনে ৯টায় রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে সড়ক পথে শাহজালাল বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী এবং সকাল ৯টায় বিমানটি কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
এই সফর উপলক্ষে একদিন আগেই কক্সবাজারে এসে পৌঁছেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
চারদলীয় জোট সরকারের সময় দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে কক্সবাজার সফরের পর এবার দীর্ঘ বিরতি শেষে পুনরায় এই জেলায় এলেন তারেক রহমান। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর পর্যটন নগরীতে এটিই তার প্রথম সরকারি সফর।

আপনার মতামত লিখুন