কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় একটি ধইঞ্চাক্ষেত থেকে সুতন কুমার পাল (৩০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের মুল্লিকপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মাঠ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুতন কুমার পাল কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুর এলাকার মৃত জগবন্ধু পালের ছেলে। তার পরিবারের সদস্যদের দাবি, সুতন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মাঠের ভেতর একটি ধইঞ্চাক্ষেতে যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেন।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সুতন দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ইতিপূর্বে তিনি পাবনা মানসিক হাসপাতালেও চিকিৎসা নিয়েছেন।
/

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় একটি ধইঞ্চাক্ষেত থেকে সুতন কুমার পাল (৩০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের মুল্লিকপাড়া কবরস্থান সংলগ্ন মাঠ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুতন কুমার পাল কুষ্টিয়া শহরের কালিশংকরপুর এলাকার মৃত জগবন্ধু পালের ছেলে। তার পরিবারের সদস্যদের দাবি, সুতন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মাঠের ভেতর একটি ধইঞ্চাক্ষেতে যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেন।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সুতন দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ইতিপূর্বে তিনি পাবনা মানসিক হাসপাতালেও চিকিৎসা নিয়েছেন।
/

আপনার মতামত লিখুন