সংবাদ

উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবি


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম

উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবি
জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে আয়োজিত গণদাবি আদায়ের সমাবেশ। ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চরাঞ্চলের মানুষের গণস্বাক্ষর সংবলিত এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। স্মারকলিপিতে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে ৩টি সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছে।

দাবিগুলো হলো- যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে দুটি পৃথক সেতু (বেগম খালেদা জিয়া সেতু ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেতু) নির্মাণ এবং মাঝখানের চরে আধুনিক কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন; চরাঞ্চলের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে ‘কৃষিভিত্তিক ইপিজেড’ প্রতিষ্ঠা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক ‘চর ট্যুরিজম’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা।

স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল। বক্তব্য দেন কমিটির সদস্যসচিব প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বাবু, ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, গজারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খানসহ স্থানীয় নেতারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধা-জামালপুর নৌ-পথটি ব্রিটিশ আমলের একটি ঐতিহাসিক যোগাযোগ রুট। এখানে সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপও হ্রাস পাবে। এই মেগা প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তারা সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

কর্মসূচিতে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক নেতা এবং চরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে দ্বিতীয় যমুনা সেতুর দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চরাঞ্চলের মানুষের গণস্বাক্ষর সংবলিত এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। স্মারকলিপিতে উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে ৩টি সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছে।

দাবিগুলো হলো- যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে দুটি পৃথক সেতু (বেগম খালেদা জিয়া সেতু ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেতু) নির্মাণ এবং মাঝখানের চরে আধুনিক কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন; চরাঞ্চলের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে ‘কৃষিভিত্তিক ইপিজেড’ প্রতিষ্ঠা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক ‘চর ট্যুরিজম’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা।

স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী টিটুল। বক্তব্য দেন কমিটির সদস্যসচিব প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বাবু, ভরতখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, গজারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খানসহ স্থানীয় নেতারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধা-জামালপুর নৌ-পথটি ব্রিটিশ আমলের একটি ঐতিহাসিক যোগাযোগ রুট। এখানে সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপও হ্রাস পাবে। এই মেগা প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তারা সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।

কর্মসূচিতে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক নেতা এবং চরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত