সংবাদ

ইউজিসির বরাদ্দসংকটে বেতনহীন গোবিপ্রবির খণ্ডকালীন শিক্ষকেরা


প্রতিনিধি, গোবিপ্রবি
প্রতিনিধি, গোবিপ্রবি
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম

ইউজিসির বরাদ্দসংকটে বেতনহীন গোবিপ্রবির খণ্ডকালীন শিক্ষকেরা
ছবি : সংবাদ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত খণ্ডকালীন শিক্ষকেরা প্রায় দেড় বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন না। নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিলেও সম্মানী না পেয়ে তারা চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শিক্ষকসংকট মেটাতে বিভিন্ন বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রতি ক্লাসের ভিত্তিতে তাদের সম্মানী নির্ধারণ করা থাকে। অভিযোগ উঠেছে, ২০২৫ সালের মার্চ মাস থেকে অনেকের বেতন বন্ধ রয়েছে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে বকেয়া ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া ও ভাইভা শেষেই তারা কাজে যোগ দিয়েছিলেন। দেড় বছর বেতন না পাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেতন ছাড়াই তারা চারটি ঈদ পার করেছেন। বারবার যোগাযোগ করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুধু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বরাদ্দসংকটের কথা বলে আসছে।

শিক্ষার্থীদের মতে, অনেক বিভাগের পাঠদান এই খণ্ডকালীন শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল। দীর্ঘ সময় বেতন না পেলে শিক্ষকেরা পাঠদানে আগ্রহ হারাতে পারেন, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে শিক্ষার মানে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের উপপরিচালক শেখ মোশিকুর রহমান বলেন, ‘ইউজিসি থেকে অর্থ বরাদ্দ এসেছে। আশা করছি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, ‘অধিকাংশ খণ্ডকালীন শিক্ষক ইউজিসির অনুমোদিত পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন। ইউজিসি থেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম বরাদ্দ পাওয়ায় দীর্ঘ সময় বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ইউজিসির সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই বকেয়া অর্থের একটি বড় অংশ পরিশোধ করা যাবে বলে আশা করছি।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬


ইউজিসির বরাদ্দসংকটে বেতনহীন গোবিপ্রবির খণ্ডকালীন শিক্ষকেরা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত খণ্ডকালীন শিক্ষকেরা প্রায় দেড় বছর ধরে বেতন পাচ্ছেন না। নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষাসহ সব একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিলেও সম্মানী না পেয়ে তারা চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শিক্ষকসংকট মেটাতে বিভিন্ন বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রতি ক্লাসের ভিত্তিতে তাদের সম্মানী নির্ধারণ করা থাকে। অভিযোগ উঠেছে, ২০২৫ সালের মার্চ মাস থেকে অনেকের বেতন বন্ধ রয়েছে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে বকেয়া ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষক বলেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া ও ভাইভা শেষেই তারা কাজে যোগ দিয়েছিলেন। দেড় বছর বেতন না পাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেতন ছাড়াই তারা চারটি ঈদ পার করেছেন। বারবার যোগাযোগ করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শুধু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বরাদ্দসংকটের কথা বলে আসছে।

শিক্ষার্থীদের মতে, অনেক বিভাগের পাঠদান এই খণ্ডকালীন শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল। দীর্ঘ সময় বেতন না পেলে শিক্ষকেরা পাঠদানে আগ্রহ হারাতে পারেন, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে শিক্ষার মানে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের উপপরিচালক শেখ মোশিকুর রহমান বলেন, ‘ইউজিসি থেকে অর্থ বরাদ্দ এসেছে। আশা করছি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, ‘অধিকাংশ খণ্ডকালীন শিক্ষক ইউজিসির অনুমোদিত পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন। ইউজিসি থেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম বরাদ্দ পাওয়ায় দীর্ঘ সময় বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ইউজিসির সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই বকেয়া অর্থের একটি বড় অংশ পরিশোধ করা যাবে বলে আশা করছি।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত