দেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম আনুষ্ঠানিকভাবে পুনর্ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো গত অর্থবছরে মেয়াদোত্তীর্ণ ইলেকট্রনিক পণ্য সংগ্রহ করেনি। ফলে ‘বিপজ্জনক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১’-এর বাস্তবায়নে বড় ধরনের ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে।
‘বাংলাদেশে ই-বর্জ্য সংকট ২০২১-২০২৫: মানবজীবন ও পরিবেশের ওপর প্রভাব’ শীর্ষক এক অ্যাডভোকেসি সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকায় অধিকারভিত্তিক সংগঠন ভয়েস অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রগ্রেসিভ কমিউনিকেশনসের (এপিসি) সহায়তায় এ সভার আয়োজন করে।
সভায় ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ প্রণয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলেও এর কার্যকর বাস্তবায়ন এখনও দুর্বল। আইন প্রয়োগ জোরদার করা জরুরি।
ভয়েসের উপপরিচালক (প্রোগ্রামস) মুশাররাত মাহেরা বলেন, অনিয়ন্ত্রিতভাবে ই-বর্জ্য উৎপাদন ও অপরিকল্পিত নিষ্পত্তি মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ভয়েসের প্রতিনিধি বন্ধন দাস। তিনি বলেন, ই-বর্জ্যে থাকা সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মতো বিষাক্ত উপাদান মানুষের রক্তে প্রবেশ করে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যাহত করতে পারে। এসব উপাদান গর্ভস্থ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আলোচনায় গ্রিন ভয়েস, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), সংবাদ, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ও ইত্তেফাকের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা বলেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা কার্যকর করতে সরকারি সংস্থাগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা, নিয়মিত তদারকি এবং বিদ্যমান ঘাটতি দূর করতে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা প্রয়োজন।
পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শিল্প খাত, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে টেকসই ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
দেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশেরও কম আনুষ্ঠানিকভাবে পুনর্ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলো গত অর্থবছরে মেয়াদোত্তীর্ণ ইলেকট্রনিক পণ্য সংগ্রহ করেনি। ফলে ‘বিপজ্জনক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১’-এর বাস্তবায়নে বড় ধরনের ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে।
‘বাংলাদেশে ই-বর্জ্য সংকট ২০২১-২০২৫: মানবজীবন ও পরিবেশের ওপর প্রভাব’ শীর্ষক এক অ্যাডভোকেসি সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকায় অধিকারভিত্তিক সংগঠন ভয়েস অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রগ্রেসিভ কমিউনিকেশনসের (এপিসি) সহায়তায় এ সভার আয়োজন করে।
সভায় ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ প্রণয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিলেও এর কার্যকর বাস্তবায়ন এখনও দুর্বল। আইন প্রয়োগ জোরদার করা জরুরি।
ভয়েসের উপপরিচালক (প্রোগ্রামস) মুশাররাত মাহেরা বলেন, অনিয়ন্ত্রিতভাবে ই-বর্জ্য উৎপাদন ও অপরিকল্পিত নিষ্পত্তি মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ভয়েসের প্রতিনিধি বন্ধন দাস। তিনি বলেন, ই-বর্জ্যে থাকা সিসা, পারদ ও ক্যাডমিয়ামের মতো বিষাক্ত উপাদান মানুষের রক্তে প্রবেশ করে শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ব্যাহত করতে পারে। এসব উপাদান গর্ভস্থ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
আলোচনায় গ্রিন ভয়েস, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), সংবাদ, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ও ইত্তেফাকের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা বলেন, ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা কার্যকর করতে সরকারি সংস্থাগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা, নিয়মিত তদারকি এবং বিদ্যমান ঘাটতি দূর করতে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা প্রয়োজন।
পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শিল্প খাত, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে টেকসই ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন