চলতি বছরের মধ্যেই এশিয়ার দুই প্রভাবশালী দেশ তুরস্ক এবং চীন সফরে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৯ জুন) ম্যারিল্যান্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি নিজেই এই হাই-ভোল্টেজ কূটনৈতিক সফরের কথা জানান। একই সঙ্গে ইরান সংকটে বেইজিংয়ের পরিপক্ব ভূমিকা এবং পরোক্ষ সহযোগিতার জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের
মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "সামনে আমাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ
দ্বিপাক্ষিক সফর রয়েছে। খুব শিগগিরই আমি প্রথমে তুরস্কে যাচ্ছি। এরপর চলতি বছরের শেষ
নাগাদ বেইজিংয়ে একটি বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে আবারও চীন সফরে যাব।"
ডোনাল্ড ট্রাম্প
তাঁর চীন সফরের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি একটি বড় তথ্য দিয়ে জানান, তাঁর বেইজিং সফরের
আগেই আগামী সেপ্টেম্বর মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক রাষ্ট্রীয় সফরে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন। দুই পরাশক্তির শীর্ষ নেতার এই দ্বিপাক্ষিক সফর বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে
বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বক্তব্য চলাকালীন
বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বেইজিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন:
"আমি চীনকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। মধ্যপ্রাচ্য তথা ইরান সংকটের সময় আমি
ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট শি-কে অনুরোধ করেছিলাম, তারা যেন ইরানের বিষয়ে কোনো ধরনের
রাজনৈতিক বা সামরিক হস্তক্ষেপ না করে। তিনি আমার সেই অনুরোধ রেখেছেন এবং এই সংকটে বেইজিং
নিজেকে জড়ায়নি। বিষয়টি সত্যিই চমৎকার ছিল এবং আমি তাঁর এই পরিপক্ব নেতৃত্বের উচ্চ প্রশংসা
করি।"
উল্লেখ্য, ইরানের
সাথে চলমান শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে
নতুন রূপ দিতেই ট্রাম্পের এই আসন্ন এশিয়া সফরগুলো মোড় ঘোরাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
চলতি বছরের মধ্যেই এশিয়ার দুই প্রভাবশালী দেশ তুরস্ক এবং চীন সফরে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৯ জুন) ম্যারিল্যান্ডে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি নিজেই এই হাই-ভোল্টেজ কূটনৈতিক সফরের কথা জানান। একই সঙ্গে ইরান সংকটে বেইজিংয়ের পরিপক্ব ভূমিকা এবং পরোক্ষ সহযোগিতার জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের
মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, "সামনে আমাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ
দ্বিপাক্ষিক সফর রয়েছে। খুব শিগগিরই আমি প্রথমে তুরস্কে যাচ্ছি। এরপর চলতি বছরের শেষ
নাগাদ বেইজিংয়ে একটি বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে আবারও চীন সফরে যাব।"
ডোনাল্ড ট্রাম্প
তাঁর চীন সফরের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি একটি বড় তথ্য দিয়ে জানান, তাঁর বেইজিং সফরের
আগেই আগামী সেপ্টেম্বর মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক রাষ্ট্রীয় সফরে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রে আসছেন। দুই পরাশক্তির শীর্ষ নেতার এই দ্বিপাক্ষিক সফর বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে
বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বক্তব্য চলাকালীন
বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বেইজিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন:
"আমি চীনকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। মধ্যপ্রাচ্য তথা ইরান সংকটের সময় আমি
ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট শি-কে অনুরোধ করেছিলাম, তারা যেন ইরানের বিষয়ে কোনো ধরনের
রাজনৈতিক বা সামরিক হস্তক্ষেপ না করে। তিনি আমার সেই অনুরোধ রেখেছেন এবং এই সংকটে বেইজিং
নিজেকে জড়ায়নি। বিষয়টি সত্যিই চমৎকার ছিল এবং আমি তাঁর এই পরিপক্ব নেতৃত্বের উচ্চ প্রশংসা
করি।"
উল্লেখ্য, ইরানের
সাথে চলমান শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে
নতুন রূপ দিতেই ট্রাম্পের এই আসন্ন এশিয়া সফরগুলো মোড় ঘোরাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন