গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে রেকর্ড পরিমাণ অতিবৃষ্টিতে মাওলানা ভাসানী সেতু সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ একটি পাকা সড়ক ধসে পড়েছে। এতে কুড়িগ্রামের সঙ্গে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সদরসহ গাইবান্ধা ও রংপুরের সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই অঞ্চলের ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও রোগীসহ হাজার হাজার মানুষ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাতে সুন্দরগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টির তোড়ে সুন্দরগঞ্জ-বেলকা হয়ে হরিপুরের মাওলানা ভাসানী সেতু পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পাকা সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ধস নামে। বেশ কিছু জায়গায় সড়ক ভেঙে গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সড়কটি দিয়ে ভারী ও মাঝারি সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মতো হালকা যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
সড়কটি মূলত তিস্তা নদীর ডান তীর রক্ষা বাঁধ হিসেবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনে ছিল। তবে হরিপুরে তিস্তা নদীর ওপর মাওলানা ভাসানী সেতু নির্মাণের পর এটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অন্তর্ভুক্ত হয়।
বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, পরিস্থিতি দেখে তাৎক্ষণিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে মাটির বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে জানানো হয়েছে।
বেলকা এলাকার বাসিন্দা আবু তালেব বলেন, সড়কের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও মাটির বাঁধ মজবুত না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই এটি ধসে গেছে। দ্রুত টেকসই সংস্কার করা না হলে পুরো সড়কটি বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্র জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটির সার্বিক পরিস্থিতি ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন