চলতি বছরের শেষ নাগাদ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল পুরোপুরি উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
আজ রবিবার
(২১ জুন) সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী ৩০ বছরের জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) মাস্টারপ্ল্যান বা
মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিমানমন্ত্রী
আফরোজা খানম দেশের বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, "বগুড়া
বিমানবন্দরের কাজসহ দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোর উন্নয়ন কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।
এর মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশকে একটি আন্তর্জাতিক মানের এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে
তোলা হবে।"
মন্ত্রী তার
বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আজকের নেওয়া সিভিল এভিয়েশনের এই মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আগামী
২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও অধিক সময়ের জন্য বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন লক্ষ্য,
অগ্রাধিকার এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে।
এই মহাপরিকল্পনার
মূল দিকগুলো হলো: বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন। এয়ার ন্যাভিগেশন সেবার আধুনিকায়ন
ও প্রযুক্তিনির্ভর করা। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস খাতের সম্প্রসারণ। এভিয়েশন
খাতে দক্ষ আন্তর্জাতিক মানের মানবসম্পদ গড়ে তোলা। নিরাপত্তা ও যাত্রী সুরক্ষা ব্যবস্থার
আমূল পরিবর্তন। পরিবেশগত টেকসই নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
উন্নয়ন।
দেশের ইতিহাসে
প্রথমবারের মতো এমন সমন্বিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে
এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মশালায় বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়,
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), সশস্ত্র বাহিনী এবং বিমান চলাচল খাতের সাথে
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দেশী-বিদেশী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
চলতি বছরের শেষ নাগাদ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল পুরোপুরি উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
আজ রবিবার
(২১ জুন) সকালে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আগামী ৩০ বছরের জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) মাস্টারপ্ল্যান বা
মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিমানমন্ত্রী
আফরোজা খানম দেশের বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, "বগুড়া
বিমানবন্দরের কাজসহ দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোর উন্নয়ন কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।
এর মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশকে একটি আন্তর্জাতিক মানের এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে
তোলা হবে।"
মন্ত্রী তার
বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আজকের নেওয়া সিভিল এভিয়েশনের এই মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আগামী
২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও অধিক সময়ের জন্য বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন লক্ষ্য,
অগ্রাধিকার এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে।
এই মহাপরিকল্পনার
মূল দিকগুলো হলো: বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন। এয়ার ন্যাভিগেশন সেবার আধুনিকায়ন
ও প্রযুক্তিনির্ভর করা। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস খাতের সম্প্রসারণ। এভিয়েশন
খাতে দক্ষ আন্তর্জাতিক মানের মানবসম্পদ গড়ে তোলা। নিরাপত্তা ও যাত্রী সুরক্ষা ব্যবস্থার
আমূল পরিবর্তন। পরিবেশগত টেকসই নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
উন্নয়ন।
দেশের ইতিহাসে
প্রথমবারের মতো এমন সমন্বিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে
এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মশালায় বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়,
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), সশস্ত্র বাহিনী এবং বিমান চলাচল খাতের সাথে
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দেশী-বিদেশী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন