জাতীয় চিড়িয়াখানায় এলো নতুন দুই প্রজাতির আফ্রিকান বন্যপ্রাণী। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আনা হয়েছে দুটি কমন ইল্যান্ড ও দুটি ওয়াইল্ডবিস্ট।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) চিড়িয়াখানায় এক অনুষ্ঠানে এদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এতে প্রধান অতিথি ছিলেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চিড়িয়াখানার প্রাণী বৈচিত্র্য বাড়ানো ও দর্শনার্থীদের জন্য নতুন আকর্ষণ সৃষ্টির লক্ষ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এই প্রাণীগুলো আনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের চিড়িয়াখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কাজ করছে। প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বয়ে জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রাণীর সংযোজন সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ।’
কমন ইল্যান্ড আফ্রিকার বৃহত্তম প্রজাতির অ্যান্টিলোপগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি সাভানা ও তৃণভূমিতে বসবাস করে। অন্যদিকে ওয়াইল্ডবিস্ট (যা 'গনু' নামেও পরিচিত) আফ্রিকার তৃণভূমির অন্যতম পরিচিত ও আকর্ষণীয় বন্যপ্রাণী ।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই প্রাণীগুলো দর্শনার্থীদের নতুন অভিজ্ঞতা দেবে এবং দেশের প্রাণিবৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
প্রতিমন্ত্রী চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে চিড়িয়াখানাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক রফিকুল ইসলাম তালুকদারসহ চিড়িয়াখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
জাতীয় চিড়িয়াখানায় এলো নতুন দুই প্রজাতির আফ্রিকান বন্যপ্রাণী। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আনা হয়েছে দুটি কমন ইল্যান্ড ও দুটি ওয়াইল্ডবিস্ট।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) চিড়িয়াখানায় এক অনুষ্ঠানে এদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এতে প্রধান অতিথি ছিলেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চিড়িয়াখানার প্রাণী বৈচিত্র্য বাড়ানো ও দর্শনার্থীদের জন্য নতুন আকর্ষণ সৃষ্টির লক্ষ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এই প্রাণীগুলো আনা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের চিড়িয়াখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কাজ করছে। প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বয়ে জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রাণীর সংযোজন সেই উদ্যোগেরই একটি অংশ।’
কমন ইল্যান্ড আফ্রিকার বৃহত্তম প্রজাতির অ্যান্টিলোপগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি সাভানা ও তৃণভূমিতে বসবাস করে। অন্যদিকে ওয়াইল্ডবিস্ট (যা 'গনু' নামেও পরিচিত) আফ্রিকার তৃণভূমির অন্যতম পরিচিত ও আকর্ষণীয় বন্যপ্রাণী ।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, নতুন এই প্রাণীগুলো দর্শনার্থীদের নতুন অভিজ্ঞতা দেবে এবং দেশের প্রাণিবৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
প্রতিমন্ত্রী চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে আরও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে চিড়িয়াখানাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক রফিকুল ইসলাম তালুকদারসহ চিড়িয়াখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন