প্রায় তিন বছর বিরতির পর আবারও রাজধানীর মঞ্চে ফিরছে আলোচিত নাটক ‘হ্যাপি ডেজ’। হৃৎমঞ্চ প্রযোজিত এবং মণিপুরি থিয়েটারের প্রযোজনা সহযোগিতায় নাটকটির দুটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬ ও ২৭ জুন। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হবে নাটকটি।
বিশ্বখ্যাত নাট্যকার
ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক স্যামুয়েল বেকেটের কালজয়ী অ্যাবসার্ড নাটক হ্যাপি ডেজ-এর বাংলা
অনুবাদ করেছেন কবীর চৌধুরী। নাটকটির অভিযোজন ও নির্দেশনা দিয়েছেন শুভাশিস সিনহা। একক
অভিনয়ে দর্শক দেখতে পাবেন জ্যোতি সিনহাকে।
নাটকের কেন্দ্রীয়
চরিত্র উইনি। নিঃসঙ্গতা, স্মৃতি, আকাঙ্ক্ষা ও ভালোবাসার নানা অনুভূতির মধ্য দিয়ে গড়ে
উঠেছে তার জীবন। স্বামী উইলিকে উদ্দেশ করে অনর্গল কথা বলতে থাকে উইনি। কখনও অভিযোগ,
কখনও স্মৃতিচারণ, আবার কখনও গভীর ভালোবাসার আকুতি সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক অনন্য নাট্যজগৎ।
মূল নাটকে উইলি
চরিত্রটির উপস্থিতি সীমিত হলেও এই প্রযোজনায় তাকে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত রাখা হয়েছে। তবে
উইনির স্মৃতি, অনুভূতি ও কথোপকথনের মধ্য দিয়ে চরিত্রটি পুরো নাটকজুড়েই উপস্থিত থাকে।
উইলি জীবিত নাকি মৃত, সেই প্রশ্নেরও কোনো নির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায় না। তবু একটি সুখময়
দিনের স্বপ্ন আঁকড়ে বেঁচে থাকে উইনি। নাট্যসংশ্লিষ্টদের মতে, ‘হ্যাপি ডেজ’ মানুষের
আনন্দময় জীবনের চিরন্তন অথচ প্রায়শই অপূর্ণ থেকে যাওয়া আকাঙ্ক্ষার প্রতীকী উপস্থাপন।
এক ঘণ্টাব্যাপী
এই নাটকের আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন আসলাম অরণ্য। মঞ্চসজ্জা করেছেন শাহনাজ জাহান ও আরিফ
শাকিল। সংগীত পরিচালনায় আছেন হুমায়ুন আজম রেওয়াজ। ফরাসি দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১৯
সালে প্রথম মঞ্চে আসে প্রযোজনাটি। এরপর দেশে ও দেশের বাইরে অসংখ্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে
প্রশংসা কুড়িয়েছে নাটকটি। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ঢাকার দর্শকদের সামনে ফিরছে ‘হ্যাপি
ডেজ’, যা নাট্যপ্রেমীদের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
প্রায় তিন বছর বিরতির পর আবারও রাজধানীর মঞ্চে ফিরছে আলোচিত নাটক ‘হ্যাপি ডেজ’। হৃৎমঞ্চ প্রযোজিত এবং মণিপুরি থিয়েটারের প্রযোজনা সহযোগিতায় নাটকটির দুটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৬ ও ২৭ জুন। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হবে নাটকটি।
বিশ্বখ্যাত নাট্যকার
ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক স্যামুয়েল বেকেটের কালজয়ী অ্যাবসার্ড নাটক হ্যাপি ডেজ-এর বাংলা
অনুবাদ করেছেন কবীর চৌধুরী। নাটকটির অভিযোজন ও নির্দেশনা দিয়েছেন শুভাশিস সিনহা। একক
অভিনয়ে দর্শক দেখতে পাবেন জ্যোতি সিনহাকে।
নাটকের কেন্দ্রীয়
চরিত্র উইনি। নিঃসঙ্গতা, স্মৃতি, আকাঙ্ক্ষা ও ভালোবাসার নানা অনুভূতির মধ্য দিয়ে গড়ে
উঠেছে তার জীবন। স্বামী উইলিকে উদ্দেশ করে অনর্গল কথা বলতে থাকে উইনি। কখনও অভিযোগ,
কখনও স্মৃতিচারণ, আবার কখনও গভীর ভালোবাসার আকুতি সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক অনন্য নাট্যজগৎ।
মূল নাটকে উইলি
চরিত্রটির উপস্থিতি সীমিত হলেও এই প্রযোজনায় তাকে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত রাখা হয়েছে। তবে
উইনির স্মৃতি, অনুভূতি ও কথোপকথনের মধ্য দিয়ে চরিত্রটি পুরো নাটকজুড়েই উপস্থিত থাকে।
উইলি জীবিত নাকি মৃত, সেই প্রশ্নেরও কোনো নির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া যায় না। তবু একটি সুখময়
দিনের স্বপ্ন আঁকড়ে বেঁচে থাকে উইনি। নাট্যসংশ্লিষ্টদের মতে, ‘হ্যাপি ডেজ’ মানুষের
আনন্দময় জীবনের চিরন্তন অথচ প্রায়শই অপূর্ণ থেকে যাওয়া আকাঙ্ক্ষার প্রতীকী উপস্থাপন।
এক ঘণ্টাব্যাপী
এই নাটকের আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন আসলাম অরণ্য। মঞ্চসজ্জা করেছেন শাহনাজ জাহান ও আরিফ
শাকিল। সংগীত পরিচালনায় আছেন হুমায়ুন আজম রেওয়াজ। ফরাসি দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১৯
সালে প্রথম মঞ্চে আসে প্রযোজনাটি। এরপর দেশে ও দেশের বাইরে অসংখ্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে
প্রশংসা কুড়িয়েছে নাটকটি। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ঢাকার দর্শকদের সামনে ফিরছে ‘হ্যাপি
ডেজ’, যা নাট্যপ্রেমীদের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর।

আপনার মতামত লিখুন