টাঙ্গাইলের সখীপুর ও নাগরপুরে পৃথক স্থান থেকে এক নারী ও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জুলাই) সকালে সখীপুর থেকে নিখোঁজ এক নারীর এবং দুপুরে নাগরপুর থেকে নিখোঁজ এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ডোবা থেকে পারভীন (৪৬) নামের এক বিধবা নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ওই এলাকার মৃত হুমায়ূন খানের স্ত্রী। গত ২৯ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাভারে চাকরিরত ছেলে ফাহাদের সঙ্গে মুঠোফোনে তার সর্বশেষ কথা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে স্বজনেরা ফোন করলেও পারভীন আর ফোন ধরেননি। ওই দিন সন্ধ্যায় ছেলে ফাহাদ ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরে সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। আজ সকালে বাড়ির পাশের ডোবায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।
সখীপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এদিকে নাগরপুর উপজেলার বিন্নাওঝা গ্রামের একটি পাটখেত থেকে শওকত মোল্লা (৫৫) নামের এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের নলসন্ধ্যা গ্রামের মৃত জয়েদ আলী মোল্লার ছেলে। শওকত গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন।
নিহতের পরিবার জানায়, গত তিন দিন শওকতের কোনো খোঁজ ছিল না। আজ দুপুরে বিন্নাওঝা গ্রামে একটি মরদেহ পাওয়ার খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে স্বজনেরা তাকে শনাক্ত করেন।
নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন