সংবাদ

চবিতে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীর ওপর বর্বরোচিত হামলা


প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম

চবিতে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীর ওপর বর্বরোচিত হামলা
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইএমএল বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে হলের পেছনে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৪ আগস্ট রাত ১টার দিকে শহীদ আবদুর রব হলের পেছনের একটি ব্রিজের কাছে এই হামলা চালানো হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে চবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের পরাজিত জিএস প্রার্থী মো. শাফায়েত হোসেন উপস্থিত থাকলেও তিনি হামলা ঠেকাতে কোনো উদ্যোগ নেননি বলে ভুক্তভোগী দাবি করেছেন।

হামলায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর নাম সাজিদ হাসান আলভি। তিনি আইএমএল বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। হামলার পর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্র এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। চমেকের চিকিৎসকেরা তার শরীরে জখমের চিহ্ন দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আলভি জানান, গত ১৩ আগস্ট দুপুরে হলের ঝুপড়িতে এক নারী সহপাঠীর সঙ্গে ভাত খাওয়ার সময় জাকিরসহ কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। সেই বিরোধ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলে পরদিন রাত ১টার দিকে তাকে আবদুর রব হলের পেছনের নির্জন স্থানে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ৩০-৪০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করছিল। আলভির দাবি, জুওলজি বিভাগের তুষার ও জাকিরের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ সময় ছাত্রদল নেতা শাফায়েত হোসেন সেখানে দাঁড়িয়ে থাকলেও আলভির আর্তনাদে তিনি সাড়া দেননি।

অভিযুক্তরা চবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিনের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাফায়েত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, ‘আইএমএল বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা জানতে পেরে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং তাকে নিজের গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬


চবিতে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীর ওপর বর্বরোচিত হামলা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আইএমএল বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে হলের পেছনে ডেকে নিয়ে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৪ আগস্ট রাত ১টার দিকে শহীদ আবদুর রব হলের পেছনের একটি ব্রিজের কাছে এই হামলা চালানো হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে চবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের পরাজিত জিএস প্রার্থী মো. শাফায়েত হোসেন উপস্থিত থাকলেও তিনি হামলা ঠেকাতে কোনো উদ্যোগ নেননি বলে ভুক্তভোগী দাবি করেছেন।

হামলায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর নাম সাজিদ হাসান আলভি। তিনি আইএমএল বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। হামলার পর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্র এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। চমেকের চিকিৎসকেরা তার শরীরে জখমের চিহ্ন দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আলভি জানান, গত ১৩ আগস্ট দুপুরে হলের ঝুপড়িতে এক নারী সহপাঠীর সঙ্গে ভাত খাওয়ার সময় জাকিরসহ কয়েকজনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। সেই বিরোধ মিটিয়ে দেওয়ার কথা বলে পরদিন রাত ১টার দিকে তাকে আবদুর রব হলের পেছনের নির্জন স্থানে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই ৩০-৪০ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করছিল। আলভির দাবি, জুওলজি বিভাগের তুষার ও জাকিরের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ সময় ছাত্রদল নেতা শাফায়েত হোসেন সেখানে দাঁড়িয়ে থাকলেও আলভির আর্তনাদে তিনি সাড়া দেননি।

অভিযুক্তরা চবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিনের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাফায়েত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন বলেন, ‘আইএমএল বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা জানতে পেরে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং তাকে নিজের গাড়িতে করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত