রাজধানীর আদাবরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসী হামলায় মো. আবুল বাশার বাদশা (৪৫) নামের এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মো. সাদ্দাম (৩৫) নামের আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদাবরের নবোদয় হাউজিং চার রাস্তার মোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত আবুল বাশার বাদশা ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গফুর মিয়ার ছেলে। তিনি আদাবর বি-ব্লক, ১ নম্বর রোডের একটি ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। তিনি আদাবর থানার একটি ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি টাউন হল এলাকার রনি নামের এক ব্যক্তির প্রাইভেট কার চালাতেন।
নিহতের ভাই সবুজ জানান, বাদশা স্থানীয় একটি মারামারির ঘটনার বিচারে (সালিশ) গিয়েছিলেন। সেখানে খেলাধুলা নিয়ে একটি গণ্ডগোল হয়েছিল। সেই ঝামেলা মীমাংসা করে ফেরার পথে স্থানীয় মজনুসহ ৮ থেকে ১০ জন সন্ত্রাসী আকস্মিকভাবে তাদের ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় বাদশাকে প্রথমে স্থানীয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
অন্যদিকে, হামলায় আহত সাদ্দাম বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাশারের মরদেহটি বর্তমানে হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর আদাবরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসী হামলায় মো. আবুল বাশার বাদশা (৪৫) নামের এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মো. সাদ্দাম (৩৫) নামের আরো একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদাবরের নবোদয় হাউজিং চার রাস্তার মোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত আবুল বাশার বাদশা ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গফুর মিয়ার ছেলে। তিনি আদাবর বি-ব্লক, ১ নম্বর রোডের একটি ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। তিনি আদাবর থানার একটি ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি টাউন হল এলাকার রনি নামের এক ব্যক্তির প্রাইভেট কার চালাতেন।
নিহতের ভাই সবুজ জানান, বাদশা স্থানীয় একটি মারামারির ঘটনার বিচারে (সালিশ) গিয়েছিলেন। সেখানে খেলাধুলা নিয়ে একটি গণ্ডগোল হয়েছিল। সেই ঝামেলা মীমাংসা করে ফেরার পথে স্থানীয় মজনুসহ ৮ থেকে ১০ জন সন্ত্রাসী আকস্মিকভাবে তাদের ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় বাদশাকে প্রথমে স্থানীয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
অন্যদিকে, হামলায় আহত সাদ্দাম বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাশারের মরদেহটি বর্তমানে হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন