সংবাদ

আর্কাইভ দেখুন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটস’র কার্যনির্বাহী কমিটির সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটস’র কার্যনির্বাহী কমিটির সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ স্কাউটস-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সভাকক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রতিনিধিদল সংগঠনের বর্তমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ, আত্মনির্ভরশীল ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে স্কাউটিং আন্দোলনের ভূমিকা সম্পর্কে তারা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী স্কাউটস প্রতিনিধিদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং এই আন্দোলনের প্রসারে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতিগত ও অবকাঠামোগত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মন্ত্রী, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ড. মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। বাংলাদেশ স্কাউটস-এর প্রধান জাতীয় কমিশনারসহ কার্যনির্বাহী কমিটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রধানমন্ত্রী এ সময় সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও দুর্যোগ মোকাবিলায় স্কাউটদের নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করার প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশজুড়ে স্কাউটিং কার্যক্রম আরও জোরদার হবে এবং স্মার্ট ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে তরুণরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।   


সন্তানসহ কারামুক্ত হলেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম

সন্তানসহ কারামুক্ত হলেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম

অবশেষে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে তার কোলের শিশু সন্তানসহ তিনি কারামুক্ত হন। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত শিল্পী বেগমের জামিন মঞ্জুর করেন। মানবিক দিক বিবেচনা করে আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান এই আদেশ প্রদান করেন।আদালতে জামিন মঞ্জুর হলেও গত রাতে কারামুক্ত হতে পারেননি এই নেত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জামিনের প্রয়োজনীয় নথিপত্রে বিচারকের সই বাকি থাকায় এবং দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হওয়ায় মা ও শিশুকে আরও এক রাত কারাগারেই কাটাতে হয়।আজ বুধবার সকালে জামিন সংক্রান্ত সকল নথিতে বিচারকের সই সম্পন্ন হলে দ্রুত তা কারাগারে পাঠানো হয়। এরপরই কারাগার কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুর ১২টায় তাদের মুক্তির ব্যবস্থা করেন।  


সৌদি থেকে আসছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সৌদি থেকে আসছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

আঞ্চলিক উত্তেজনা ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কার মাঝেই স্বস্তির খবর নিয়ে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের পথে রওনা হয়েছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেলবাহী একটি বড় জাহাজ। ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের এই ট্যাংকারটি আগামী ৪ বা ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শরীফ হাসনাত জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে ঝুঁকি এড়াতে জাহাজটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগর উপকূল হয়ে বাংলাদেশে আসছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি যাত্রা শুরু করেছে। সাধারণত সৌদি আরব থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে ১৪ থেকে ১৫ দিন সময় লাগে।১ লাখ টন ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেল আসার ফলে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা অনেকটাই দূর হবে। তবে শরিফ হাসনাত একটি আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, ‘নর্ডিক পোলাক্স’ নামে আরেকটি জাহাজ ১ লাখ মেট্রিক টন তেল নিয়ে এখনও হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে। জাহাজটি সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে থাকলেও ইরানের বিশেষ ছাড়পত্র না পাওয়ায় বাংলাদেশে আসতে পারছে না।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান বার্ষিক চাহিদা ও ব্যবহারের ধরণ নিম্নরূপ: বার্ষিক চাহিদা: প্রায় ৭২ লাখ টন। আমদানির ওপর নির্ভরতা: মোট চাহিদার ৯২ শতাংশ বিপিসি-কে আমদানি করতে হয়; বাকি ৮ শতাংশ স্থানীয় উৎস থেকে আসে। শোধনের সক্ষমতা: ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রতি বছর ১৫ লাখ টন ক্রুড অয়েল শোধন করে, যা মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়মতো এই ১ লাখ টন তেল পৌঁছালে বিশেষ করে পরিবহন ও কৃষি খাতে জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।


সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু আজ

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু আজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে। রাজধানীর নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই বাছাই প্রক্রিয়া চলছে।রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান আজ সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের জন্য দুই দিন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে: ২২ এপ্রিল: দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ২৩ এপ্রিল: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বাছাইয়ে কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলে তার বিরুদ্ধে কমিশনের কাছে আপিল করার সুযোগ থাকবে। আপিল সংক্রান্ত সময়সূচী নিচে দেওয়া হলো: আপিল দাখিল: ২৬ এপ্রিল (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা)। আপিল নিষ্পত্তি: ২৭ ও ২৮ এপ্রিল (সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত)। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, এবারের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মোট ৫৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিভাজন নিম্নরূপ: বিএনপি জোট: ৩৬ জন। জামায়াত জোট: ১৪ জন (উল্লেখ্য, এর মধ্যে একজন নির্ধারিত সময়ের পর আবেদন জমা দিয়েছেন)। স্বতন্ত্র মোর্চা: ১ জন। ব্যক্তিগতভাবে (নিজে থেকে): ৩ জন। তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারিত রয়েছে ২৯ এপ্রিল। পরের দিন ৩০ এপ্রিল প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১২ মে সংরক্ষিত নারী আসনের বহুল প্রতীক্ষিত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।  


মার্কিন অবরোধে সংকটে ইরান: ‘কয়েক দিনেই পূর্ণ হবে খারগ দ্বীপের তেল সংরক্ষণাগার’

মার্কিন অবরোধে সংকটে ইরান: ‘কয়েক দিনেই পূর্ণ হবে খারগ দ্বীপের তেল সংরক্ষণাগার’

ইরানের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের তেল সংরক্ষণ সক্ষমতা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন স্কট বেসেন্ট। একই সঙ্গে দেশটির বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচল ঠেকাতে মার্কিন নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। বুধবার (২২ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্কট বেসেন্ট বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় রাখবে। এই পরিস্থিতির কারণে দেশিটির ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানির কেন্দ্র খারগ দ্বীপের স্টোরেজ বা সংরক্ষণাগারগুলো দ্রুত পূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। স্টোরেজ পূর্ণ হয়ে গেলে ইরানের দুর্বল তেলক্ষেত্রগুলো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হবে, যা দেশটির অর্থনীতিতে বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।বেসেন্ট আরও উল্লেখ করেন, ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্য সীমিত করার মূল লক্ষ্য হলো দেশটির আয়ের প্রধান উৎসে সরাসরি আঘাত করা। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের মাধ্যমে তেহরানের অর্থ সংগ্রহ, স্থানান্তর ও দেশে ফিরিয়ে আনার সক্ষমতা দুর্বল করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।পারস্য উপসাগরে অবস্থিত মাত্র পাঁচ বর্গমাইল আয়তনের এই দ্বীপটি ইরানের সবচেয়ে বড় জ্বালানি কেন্দ্র। উপকূল থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরের এই দ্বীপটি থেকে ইরানের মোট অপরিশোধিত তেলের ৯০ শতাংশ রপ্তানি হয়। দেশটির মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে এই তেল খাত থেকে। অবরোধের কারণে রপ্তানি বন্ধ থাকলে এবং সংরক্ষণাগার পূর্ণ হয়ে গেলে তেল উৎপাদন বন্ধ করা ছাড়া ইরানের সামনে আর কোনো পথ থাকবে না।জেপি মরগানের বৈশ্বিক পণ্য গবেষণা বিভাগের প্রধান নাতাশা ক্যানেভা জানান, ইরানের ওপর এই অবরোধ আলোচনায় চাপ তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দেশটির অর্থনীতিতে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে হলে এই অবরোধ দীর্ঘ সময় ধরে কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে।উল্লেখ্য, বর্তমানে সমুদ্রে ইরানের প্রায় ১৭ কোটি ৬০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে, যার একটি বড় অংশই বিভিন্ন গন্তব্যের পথে রয়েছে। এই মজুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবরোধের চূড়ান্ত প্রভাব বোঝা কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  


যুদ্ধ ফের শুরু হলে উপসাগরীয় তেল শিল্প ধ্বংসের হুমকি ইরানি কমান্ডারের

যুদ্ধ ফের শুরু হলে উপসাগরীয় তেল শিল্প ধ্বংসের হুমকি ইরানি কমান্ডারের

নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল শিল্প মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর এরোস্পেস প্রধান জেনারেল মাজিদ মুসাভি এই কড়া বার্তা দিয়েছেন।কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ইরানি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই হুমকি প্রদান করেন।জেনারেল মুসাভি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো নতুন আগ্রাসন হবে একটি চরম ভুল। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভূখণ্ড বা সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানে হামলার সুযোগ করে দেয়, তবে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ।তিনি সরাসরি সতর্ক করে দিয়ে বলেন:"দক্ষিণের প্রতিবেশীরা যদি শত্রুকে (যুক্তরাষ্ট্র) তাদের স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানে হামলার সুযোগ দেয়, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের তেল উৎপাদনকে বিদায় জানাতে হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল স্থাপনাগুলো আমাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।"বর্তমানে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। ইরানের দাবি, এসব ঘাঁটি ব্যবহার করে তাদের ওপর হামলা চালানো হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকেও এর দায়ভার বহন করতে হবে।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইআরজিসি কমান্ডারের এই বক্তব্য মূলত মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর ওপর একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ। কারণ, এই অঞ্চলে হামলা শুরু হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে ধস নামতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে খাদের কিনারে ঠেলে দেবে।হরমুজ প্রণালি নিয়ে চলমান উত্তজনার মধ্যেই ইরানি কমান্ডারের এই সামরিক হুমকি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলল।   


তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন আইআরজিসির

তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন আইআরজিসির

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে সরকারপন্থি সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের সামরিক শক্তির জানান দিচ্ছে দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এসব সমাবেশে জনসাধারণের উপস্থিতিতে বড় বড় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।রাজধানী তেহরানের প্রধান চত্বরে আয়োজিত বিশাল এক বিক্ষোভ সমাবেশে ‘গদর’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। এসময় সমাবেশে উপস্থিত জনতা 'ডেথ টু আমেরিকা' স্লোগান দিয়ে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন। তেহরানের আরেকটি বড় চত্বরে পৃথকভাবে প্রদর্শিত হয় শক্তিশালী ‘খোররামশাহর-৪’ ক্ষেপণাস্ত্র।ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী চলাকালে আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার মাজিদ মৌসাভি সরাসরি তেল আবিবে হামলার আহ্বান জানান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষের চলাচলস্থল এবং আবাসিক এলাকাগুলোর মধ্যেই এই সমরাস্ত্রগুলো প্রদর্শন করা হচ্ছে।শুধু তেহরানেই নয়, ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শনী ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে। উল্লেখযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে: শিরাজ: দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ও কবিদের শহর। তাবরিজ: উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পনগরী। জাঞ্জান: পশ্চিম-কেন্দ্রীয় প্রদেশ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানে প্রতিদিন এসব সরকারপন্থি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা নিয়মিত এসব সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছেন। মূলত এই সমাবেশের মাধ্যমে ইরান একদিকে যেমন অভ্যন্তরীণ জনমতকে ঐক্যবদ্ধ রাখছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও কড়া বার্তা দিচ্ছে।   


ঢাকার বায়ু আজ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, বিশ্বে অষ্টম

ঢাকার বায়ু আজ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, বিশ্বে অষ্টম

বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণ পরিস্থিতির ক্রমঅবনতির ধারায় মেগাসিটি ঢাকার বাতাস আজ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ার (IQAir) এর তথ্য অনুযায়ী, আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বায়ুদূষণে বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা।আইকিউএয়ার-এর রিয়েল টাইম র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকার বায়ুমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) রেকর্ড করা হয়েছে ১০৫। বায়ুমানের মানদণ্ড অনুযায়ী এই স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই অবস্থায় শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ ব্যক্তি ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ঘরের বাইরে চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়।শীর্ষে থাকা শহরসমূহআজকের তালিকায় বায়ুদূষণে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারতের রাজধানী দিল্লি। এক নজরে দূষিত শহরের শীর্ষ তালিকা: ১ম: দিল্লি, ভারত (স্কোর: ২২১) ২য়: লাহোর, পাকিস্তান (স্কোর: ২০৭) ৩য়: কাঠমান্ডু, নেপাল (স্কোর: ১৭১) ৪র্থ: চেংমাই, থাইল্যান্ড (স্কোর: ১৭০) ৫ম: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া (স্কোর: ১৬৮) ৬ষ্ঠ: কলকাতা, ভারত (স্কোর: ১০৭) ৭ম: দুবাই, আরব আমিরাত (স্কোর: ১০৬) ৮ম: ঢাকা, বাংলাদেশ (স্কোর: ১০৫) বায়ুমান সূচকের মানদণ্ডআইকিউএয়ারের নিয়ম অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত: ৫১-১০০: মাঝারি বা গ্রহণযোগ্য। ১০১-১৫০: সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০: সকলের জন্য অস্বাস্থ্যকর। ২০১-৩০০: খুবই অস্বাস্থ্যকর। ৩০১+: দুর্যোগপূর্ণ বা বিপজ্জনক। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানান, আবহাওয়ার পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে এই মান পরিবর্তনশীল। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে ধূলিকণা কমে গিয়ে বায়ুমানের উন্নতি ঘটে। তবে শুষ্ক মৌসুমে এবং নির্মাণকাজের প্রভাবে ঢাকার বাতাস প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে।   


প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার লোকসান হচ্ছে ইরানের, দাবি ট্রাম্পের

প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার লোকসান হচ্ছে ইরানের, দাবি ট্রাম্পের

ইরান বর্তমানে মারাত্মক আর্থিক সংকটের সম্মুখীন এবং দেশটি ‘নগদ অর্থের জন্য হাহাকার করছে’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক ধারাবাহিক পোস্টে তিনি এই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন।ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, "ইরান আর্থিকভাবে ভেঙে পড়ছে! তেহরান এখন হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দিতে চায় এবং নগদ অর্থের জন্য হাহাকার করছে। অবরোধ ও বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তাদের প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি (৫০০ মিলিয়ন) ডলার লোকসান হচ্ছে।"তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, আর্থিক সংকটের কারণে ইরানের সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলছেন।বিপুল অংকের দৈনিক ক্ষতির কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি ইরানি শাসনের স্থায়িত্ব নিয়ে নিজের করা এক বিতর্কিত পরিসংখ্যানও শেয়ার করেছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ইরানি শাসনের পতনের সম্ভাবনা ০.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই হার গতদিনের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সাথে দ্বিতীয় দফার সংলাপে বসার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। তবে এই দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়বস্তু ও সময় এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় পূর্বঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। মূলত ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসার জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতেই এই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়।উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং মার্কিন অবরোধের ফলে ইরানের অর্থনীতি বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।  


হরমুজ নিয়ে সামরিক বৈঠক, অংশ নিচ্ছে ৩০ দেশ

হরমুজ নিয়ে সামরিক বৈঠক, অংশ নিচ্ছে ৩০ দেশ

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে এবং উদ্ভূত উত্তেজনা নিরসনে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। প্রণালিটিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশ দুটির নেতৃত্বে একটি আন্তর্জাতিক মিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই মিশনের বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রণয়নে বুধবার থেকে লন্ডনে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী এক উচ্চপর্যায়ের সামরিক সম্মেলন।যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের পার্মানেন্ট জয়েন্ট হেডকোয়ার্টার্সে (যুক্তরাজ্যের প্রধান সামরিক কমান্ড সেন্টার) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের সামরিক বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন। গত সপ্তাহে প্যারিসে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক আলোচনার ধারাবাহিকতায় এই সম্মেলনটি আয়োজিত হচ্ছে।সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি যৌথ ও কার্যকর প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা তৈরি করা। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেন:"আমাদের লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের মতামতকে সমন্বিত করে একটি শক্তিশালী পরিকল্পনা তৈরি করা, যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। আমি বিশ্বাস করি, এই আলোচনা থেকে ফলপ্রসূ অগ্রগতি আসবে।"বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, চলমান সংকটের প্রধান দুই পক্ষ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না। ব্রিটেন ও ফ্রান্স স্পষ্ট করে জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এই বাহিনীটি হবে সম্পূর্ণ 'প্রতিরক্ষা মূলক' এবং এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত হলেই কেবল তাদের মোতায়েন করা হবে।এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ মঙ্গলবার মধ্যরাতে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সময়সীমা শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে জানান, আলোচনার স্বার্থে তিনি এই মেয়াদ আরও বাড়াচ্ছেন। যদিও উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে এবং ট্রাম্প ইরানি বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল রেখেছেন।গত শুক্রবার প্যারিসে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁর সভাপতিত্বে ৪০টিরও বেশি দেশের উপস্থিতিতে একটি কৌশলগত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেই আলোচনার পথ ধরেই লন্ডনে এই সামরিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা থেকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার একটি চূড়ান্ত রোডম্যাপ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।   


দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বাড়ল

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো বাড়ল

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ হাজার ১২৫ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩৫.১২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের অবস্থান নিচে তুলে ধরা হলো: গ্রস রিজার্ভ (মোট): ৩৫,১২৫.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিপিএম-৬ পদ্ধতি (IMF): আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০,৪৫৯.০১ মিলিয়ন ডলারে। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫,০৩৮ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩০,৩৬৬.২৪ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে গ্রস ও বিপিএম-৬—উভয় পদ্ধতিতেই রিজার্ভের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।অর্থনীতিবিদদের মতে, মূলত তিনটি কারণে রিজার্ভে এই ইতিবাচক প্রবাহ দেখা যাচ্ছে: ১. প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি। ২. রপ্তানি আয়ে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি। ৩. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় কঠোর তদারকি।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মোট বা গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায়ের হিসাব বাদ দিলে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ পাওয়া যায়। এটিই মূলত কোনো দেশের বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা বা আমদানির দায় মেটানোর প্রকৃত সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়। রিজার্ভের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় স্বস্তির খবর বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   


সরকারি সিদ্ধান্ত ছাড়া বাসভাড়া বাড়ানো যাবে না: মালিক সমিতির কঠোর নির্দেশ

সরকারি সিদ্ধান্ত ছাড়া বাসভাড়া বাড়ানো যাবে না: মালিক সমিতির কঠোর নির্দেশ

ডিজেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে সরকারি সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনোভাবেই বাসের ভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।বিবৃতিতে মালিক সমিতি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে ভাড়া বৃদ্ধির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বর্তমানে প্রচলিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত কোনো টাকা যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না। দেশের সকল রুটে চলাচলকারী পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের এই নির্দেশ যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য জরুরি আহ্বান জানানো হয়েছে।সংকটে পরিবহন খাতভাড়া না বাড়ানোর নির্দেশ দিলেও বর্তমানে পরিবহন খাত যে চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা বিবৃতিতে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। মালিক সমিতি জানায়: জ্বালানি তেলের দাম: লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাস পরিচালনার ব্যয় একলাফে অনেকটা বেড়ে গেছে। ডলারের প্রভাব: ডলারের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় গাড়ির টায়ার, ইঞ্জিনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের দাম এখন আকাশচুম্বী। রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়: সব মিলিয়ে বাসের মেইনটেন্যান্স বা রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সাধারণ পরিবহন মালিকদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরিবহন খাতকে নিশ্চিত লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছে সমিতি। বিবৃতিতে সরকারের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে 'বাস্তবসম্মতভাবে' ভাড়া সমন্বয় করা প্রয়োজন।পরিবহন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মালিক সমিতির এই বিবৃতির ফলে আপাতত ভাড়া না বাড়লেও, সরকারি পর্যায়ে ভাড়া পুনর্নির্ধারণের আলোচনা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কোনো যাত্রী যেন বাড়তি ভাড়ার শিকার না হন, সেদিকে কড়া নজরদারি রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে সমিতি।   


যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির ঘোষণা ‘অর্থহীন’: ইরান

যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির ঘোষণা ‘অর্থহীন’: ইরান

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণাকে অর্থহীন বললো ইরান। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা। সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, ‘অবরোধ অব্যাহত রাখা বোমাবর্ষণের চেয়ে আলাদা কিছু নয় এবং এর জবাব অবশ্যই সামরিকভাবে দিতে হবে। তাছাড়া, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিশ্চিতভাবেই একটি আকস্মিক হামলার জন্য সময় কেনার অপকৌশল। ইরানের পক্ষ থেকে পালটা উদ্যোগ নেওয়ার সময় এখন চলে এসেছে।’এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ইরানের নেতারা একটি প্রস্তাব না দেওয়া পর্যন্ত মার্কিন সেনাবাহিনী হামলা করবে না। তবে ইরানের বন্দরে নৌ অবরোধ চলতে থাকবে।পাকিস্তানের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ট্রাম্প জানান। তিনি বলেন, ‘আমি তাই আমাদের সেনাবাহিনীকে অবরোধ চালিয়ে যেতে এবং সব দিক থেকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছি। তাদের প্রস্তাব জমা দেওয়া এবং আলোচনা শেষ হওয়া পর্যন্ত যে কোনো উপায়ে যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হবে।’কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় এই যুদ্ধবিরতি অনির্দিষ্টকালের জন্য বলে মনে করা হচ্ছে।


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়লো যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়লো যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা।তিনি  বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ইরান প্রস্তাব না দেওয়া পর্যন্ত এবং আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে।এই সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টা আগেও ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং ইরানকে সতর্ক করেছিলেন যে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। হঠাৎ এই অবস্থান পরিবর্তনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে, শাহবাজ শরিফ যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ইসলামাবাদ শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। পাকিস্তানে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।তবে উত্তেজনা এখনও কাটেনি। ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই অবরোধকে ‘যুদ্ধকালীন পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এটিকে যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে দাবি করেছেন।যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধসহ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও আঞ্চলিক মিত্রদের প্রতি সমর্থন সীমিত করার দাবি জানাচ্ছে। তবে তেহরান তাদের বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অধিকার থেকে সরে আসতে নারাজ।বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি মূলত কূটনৈতিক চাপ সামাল দেওয়ার কৌশল হতে পারে। স্টিমসন সেন্টার-এর বিশ্লেষক বারবারা স্লাভিন বলেন, যুদ্ধ প্রত্যাশামতো এগোয়নি এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে তার অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে হতে পারে।সব মিলিয়ে, যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হলেও হরমুজ প্রণালিসহ কৌশলগত ইস্যুতে মতবিরোধ রয়ে যাওয়ায় সংকট পুরোপুরি কাটেনি। এখন নজর থাকছে সম্ভাব্য আলোচনার দিকে যেখানে নির্ধারিত হতে পারে পরবর্তী পথ।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটস’র কার্যনির্বাহী কমিটির সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ স্কাউটস’র কার্যনির্বাহী কমিটির সাক্ষাৎ

সন্তানসহ কারামুক্ত হলেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম

সন্তানসহ কারামুক্ত হলেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম

সৌদি থেকে আসছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সৌদি থেকে আসছে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু আজ

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু আজ

মার্কিন অবরোধে সংকটে ইরান: ‘কয়েক দিনেই পূর্ণ হবে খারগ দ্বীপের তেল সংরক্ষণাগার’

মার্কিন অবরোধে সংকটে ইরান: ‘কয়েক দিনেই পূর্ণ হবে খারগ দ্বীপের তেল সংরক্ষণাগার’

যুদ্ধ ফের শুরু হলে উপসাগরীয় তেল শিল্প ধ্বংসের হুমকি ইরানি কমান্ডারের

যুদ্ধ ফের শুরু হলে উপসাগরীয় তেল শিল্প ধ্বংসের হুমকি ইরানি কমান্ডারের

তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন আইআরজিসির

তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন আইআরজিসির

ঢাকার বায়ু আজ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, বিশ্বে অষ্টম

ঢাকার বায়ু আজ ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’, বিশ্বে অষ্টম

প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার লোকসান হচ্ছে ইরানের, দাবি ট্রাম্পের

প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার লোকসান হচ্ছে ইরানের, দাবি ট্রাম্পের

হরমুজ নিয়ে সামরিক বৈঠক, অংশ নিচ্ছে ৩০ দেশ

হরমুজ নিয়ে সামরিক বৈঠক, অংশ নিচ্ছে ৩০ দেশ