কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী উপজেলা ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে আনুমানিক সাড়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোহাগ মন্ডল (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগ মন্ডল পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়ী উপজেলার কবির মাহমুদ গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) গভীর রাতে এসআই আলিউল ইসলামের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে পুলিশের একটি দল ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখান থেকে সোহাগ মন্ডলকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লেসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে ঘটনার মূল হোতা নুর ইসলাম পালিয়ে যান।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, জব্দ করা ডিসপ্লেগুলো ভারত থেকে অবৈধভাবে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এগুলো রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে পাচার করা হচ্ছিল। এ চালানের মূল হোতা বাঁশজানি এলাকার নুর ইসলাম বলে নিশ্চিত করেছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, গ্রেপ্তার যুবকের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
/

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী উপজেলা ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে আনুমানিক সাড়ে ৩ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোহাগ মন্ডল (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগ মন্ডল পার্শ্ববর্তী ফুলবাড়ী উপজেলার কবির মাহমুদ গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) গভীর রাতে এসআই আলিউল ইসলামের নেতৃত্বে সাদা পোশাকে পুলিশের একটি দল ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখান থেকে সোহাগ মন্ডলকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লেসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযানের খবর পেয়ে ঘটনার মূল হোতা নুর ইসলাম পালিয়ে যান।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, জব্দ করা ডিসপ্লেগুলো ভারত থেকে অবৈধভাবে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এগুলো রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে পাচার করা হচ্ছিল। এ চালানের মূল হোতা বাঁশজানি এলাকার নুর ইসলাম বলে নিশ্চিত করেছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, গ্রেপ্তার যুবকের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন