সংবাদ

অনুমোদন পেল ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি


প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও
প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম

অনুমোদন পেল ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি
ছবি : সংবাদ

উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উম্মোচন করে ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটি)’ প্রতিষ্ঠার সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) উদ্যোগে এই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ইএসডিওর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অনুমোদনের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল দর্শন নির্ধারণ করা হয়েছে-‘শিক্ষা থেকে দক্ষতা, দক্ষতা থেকে উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবন থেকে কর্মসংস্থান’। শুধু সনদধারী স্নাতক তৈরি নয়, বরং বৈশ্বিক বাজারের চাহিদানুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ ও উদ্যোক্তা তৈরিই হবে এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ (ডেটা অ্যানালাইসিস), কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো আধুনিক ও ভবিষ্যৎমুখী বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে গবেষণাগারভিত্তিক সমস্যা সমাধান এবং শিল্পের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের উপযোগী করে তোলা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ও ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহীদ উজ জামান বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আমরা দীর্ঘদিনের। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে শিক্ষার্থীরা কেবল ডিগ্রি নয়, বরং উদ্ভাবনী চিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।’

ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহল এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, নিজ এলাকায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় মেধা স্থানীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর বড় সুযোগ তৈরি হবে।

ইএসডিও কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মেধাবী, নারী ও প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ থাকবে। বিশ্বমানের জ্ঞান ও গবেষণার পথ তৈরি করে উত্তরাঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬


অনুমোদন পেল ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উম্মোচন করে ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএসটি)’ প্রতিষ্ঠার সরকারি অনুমোদন পাওয়া গেছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) উদ্যোগে এই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে ইএসডিওর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অনুমোদনের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল দর্শন নির্ধারণ করা হয়েছে-‘শিক্ষা থেকে দক্ষতা, দক্ষতা থেকে উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবন থেকে কর্মসংস্থান’। শুধু সনদধারী স্নাতক তৈরি নয়, বরং বৈশ্বিক বাজারের চাহিদানুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ ও উদ্যোক্তা তৈরিই হবে এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ (ডেটা অ্যানালাইসিস), কৃষি ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো আধুনিক ও ভবিষ্যৎমুখী বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে গবেষণাগারভিত্তিক সমস্যা সমাধান এবং শিল্পের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের উপযোগী করে তোলা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ও ইএসডিওর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহীদ উজ জামান বলেন, ‘ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আমরা দীর্ঘদিনের। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি শিক্ষা পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে শিক্ষার্থীরা কেবল ডিগ্রি নয়, বরং উদ্ভাবনী চিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।’

ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহল এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, নিজ এলাকায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় মেধা স্থানীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর বড় সুযোগ তৈরি হবে।

ইএসডিও কর্তৃপক্ষ জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মেধাবী, নারী ও প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগ থাকবে। বিশ্বমানের জ্ঞান ও গবেষণার পথ তৈরি করে উত্তরাঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত