উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টি, রাজপথে বিশৃঙ্খলা এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে একজোটে রুখে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়িঘাট এলাকায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, স্থানীয় জেলেদের মাঝে পোনা বিতরণ ও উপস্থিত জনতার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "যারা উন্নয়ন কাজে বাধা দেবে, যারা রাজপথে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে, যারা দেশের মানুষকে মিথ্যা কথা বলে বিভ্রান্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে আপনাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।"
বিগত শাসনকালের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, "আমরা দেখেছি, স্বৈরাচার এ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। যারা বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল, রাজনৈতিক অধিকার হরণ করতে চেয়েছিল এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের পথ বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছিল। জনগণ তাদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।"
দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, "এখন সময় হচ্ছে কাজ করার, দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার। আমরা যদি দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে না পারি, তাহলে দেশের মানুষকে কষ্ট করে থাকতে হবে। বিগত দিনে কীভাবে দেশের মানুষের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে, তা আমরা দেখেছি। সেই পাচারকারীদেরও বাংলাদেশের মানুষ দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।"
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "এখন আমাদের সবাইকে হাতে হাত রেখে কাজ শুরু করতে হবে। রাষ্ট্র মেরামতের কাজ করতে হবে। একসঙ্গে দেশ পুনর্গঠনের কাজ করতে হবে। কারণ, এ দেশের মালিক বাংলাদেশের জনগণ। দেশকে গড়ে তুলতে হলে জনগণকে সামনে এগিয়ে আসতে হবে।"
গণতন্ত্র ও অধিকার সুরক্ষায় জনগণকে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, "এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশের জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছিল। সেই জনগণকেই এখন সতর্ক থাকতে হবে। যারা দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বলবে, যারা দেশের মানুষের জন্য নেওয়া বাস্তব পদক্ষেপগুলোতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তাদের ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতারা ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টি, রাজপথে বিশৃঙ্খলা এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে একজোটে রুখে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়িঘাট এলাকায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, স্থানীয় জেলেদের মাঝে পোনা বিতরণ ও উপস্থিত জনতার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "যারা উন্নয়ন কাজে বাধা দেবে, যারা রাজপথে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে, যারা দেশের মানুষকে মিথ্যা কথা বলে বিভ্রান্ত করবে, তাদের বিরুদ্ধে আপনাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।"
বিগত শাসনকালের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, "আমরা দেখেছি, স্বৈরাচার এ দেশ থেকে পালিয়ে গেছে। যারা বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল, রাজনৈতিক অধিকার হরণ করতে চেয়েছিল এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের পথ বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ রুখে দাঁড়িয়েছিল। জনগণ তাদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।"
দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, "এখন সময় হচ্ছে কাজ করার, দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার। আমরা যদি দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে না পারি, তাহলে দেশের মানুষকে কষ্ট করে থাকতে হবে। বিগত দিনে কীভাবে দেশের মানুষের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে, তা আমরা দেখেছি। সেই পাচারকারীদেরও বাংলাদেশের মানুষ দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।"
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "এখন আমাদের সবাইকে হাতে হাত রেখে কাজ শুরু করতে হবে। রাষ্ট্র মেরামতের কাজ করতে হবে। একসঙ্গে দেশ পুনর্গঠনের কাজ করতে হবে। কারণ, এ দেশের মালিক বাংলাদেশের জনগণ। দেশকে গড়ে তুলতে হলে জনগণকে সামনে এগিয়ে আসতে হবে।"
গণতন্ত্র ও অধিকার সুরক্ষায় জনগণকে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, "এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে বাংলাদেশের জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছিল। সেই জনগণকেই এখন সতর্ক থাকতে হবে। যারা দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বলবে, যারা দেশের মানুষের জন্য নেওয়া বাস্তব পদক্ষেপগুলোতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, তাদের ব্যাপারে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতারা ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন