বন্যায় বিপুল ক্ষতি, মৃত্যু ৫৪ - কালের কন্ঠ
সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বৃহত্তর চট্টগ্রামের পাঁচ জেলা, সিলেটের হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার ছাড়াও আরো কিছু জেলা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। বানের পানি কমতে শুরু করেছে এসব জেলায়। তবে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পার্বত্য এলাকা বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার আম চাষিরা বানের জল কমার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায় লোকসানের শঙ্কায় আছেন। উপজেলার নতুন পাড়ার আম চাষিরা জানিয়েছেন, বাড়িঘর, বাগান থেকে পানি নামলেও বড় ক্ষতির মুখে পড়বেন। পানি থাকায় বাগানেই পচেছে আম। বন্যা পরিস্থিতিতে বিক্রি করতে পারেননি। বানের পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বন্যার ছোবলে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোয় ধীরে ধীরে ক্ষতির দগদগে চিহ্ন বের হচ্ছে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতি নিয়ে আছে দুশ্চিন্তায়।
পানি কমছে, লড়াই টিকে থাকার - প্রথম আলো
‘সারা জীবন
কষ্ট কইরা যেই ঘরডা বানাইছিলাম, অই ঘরখানা নিমিষে ভাইঙা গ্যাছে। অহন
পোলা, পোলার বউ আর নাতি–নাতনি লইয়া আমরা ছয়জন মানুষের
থাকার আর কোনো ঠাঁই নাই। সব শেষ অইয়্যা গেল।’
কথাগুলো
ষাটোর্ধ্ব রানী দেবের। তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জ সদরের সুঘর গ্রামে। বন্যায় তার কাঁচা
ঘরটি ভেঙে গেছে। বন্যার পানি কমার পর ভাঙা সেই বাড়িতে ফিরেছেন তাঁরা। তবে মাথা
গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবারটি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, মৌলভীবাজারের ৫৯ উপজেলা বন্যা প্লাবিত হয়েছে। এসব অঞ্চলে বন্যার পানি কমে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে ক্ষতির চিত্র। বাসিন্দারা ঘরবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। তবে শুরু হয়েছে টিকে থাকার নতুন লড়াই।
লালদিয়া টার্মিনাল: তড়িঘড়ি করে 'অসম চুক্তি'র অভিযোগ সংসদে - সংবাদ
বিগত আওয়ামী
লীগ সরকারের আমলে প্রক্রিয়া শুরু হওয়া এবং মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অনুমোদন পাওয়া একটি চুক্তি নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন
উঠেছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ
ও পরিচালনার কাজ পেয়েছে ডেনমার্কভিত্তিক কোম্পানি এপিএম টার্মিনালস।
চুক্তিটি 'তড়িঘড়ি করে' করা হয়েছে এবং এটি একটি 'অসম চুক্তি' বলে গতকাল সংসদের বৈঠকে অভিযোগ তুলেছেন সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) মো. শাহাদাত হোসেন। সেই চুক্তি বাতিল করে নতুন চুক্তি করার কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের আছে কিনা, নৌ-পরিবহনমন্ত্রীর কাছে তা জানতে চেয়েছেন তিনি।
পানিতে ডোবে ঢাকার ১২৯ স্থান - আজকের পত্রিকা
আষাঢ়ের শেষ
সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টায় থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিতে রাজধানীর অন্তত ১২৯টি স্থানে
জলাবদ্ধতায় ভুগেছে মানুষ। গত শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে তলিয়েছে নগরের
নিচু এলাকা। অনেক সড়কের পাশাপাশি কিছু প্রধান সড়কে জমে হাঁটু থেকে কোমরপানি। কোনো
কোনো এলাকায় বাসাবাড়িতেও ঢুকেছে পানি।
রোববারের পর গতকাল সোমবারও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবারও বৃষ্টি থাকবে। ভারী বৃষ্টি হলে আজও কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।
দুর্যোগের পূর্বাভাস ছিল, মাঠে কার্যকর প্রস্তুতি ছিল না - সমকাল
দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তরের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড়ধস হতে পারে– এমন সতর্কবার্তা গত ১ জুলাই থেকেই দেওয়া হচ্ছিল আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বার্তা। এমনকি এল নিনোর প্রভাবে বড় বন্যার শঙ্কার কথাও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর জানা। তবে সেই পূর্বাভাস সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।
রাজধানীর শত্রু চিনে নিন - দেশ রুপান্তর
সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যাচ্ছে ঢাকার বহু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকা। জলাবদ্ধতায় জনজীবনে নেমে আসে নানামাত্রিক দুর্ভোগ। স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানী। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের অবাধ ব্যবহার পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলেছে। নগরবাসী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্লাস্টিক ও পলিথিন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
বন্দি মানুষ বিপর্যস্ত জনজীবন - বাংলাদেশ প্রতিদিন
অতিভারী বর্ষণ, বন্যা
ও পাহাড় ধসে গতকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪-এ দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশের সাত
জেলায় এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার। বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত
মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে। গতকাল বিকালে দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বন্যাসংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ কথা
জানানো হয়েছে।
সব শ্রেণিপেশার মানুষ রাজপথে নেমে স্বৈরাচার হটিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী - নয়া দিগন্ত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ মিলে যুদ্ধ করে আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। মাত্র কয়েকদিন আগের কথা, স্বৈরাচারকে এ দেশ থেকে বিদায় করেছি। সব শ্রেণীপেশার, সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ রাজপথে নেমে এসে স্বৈরাচারকে দেশ থেকে হটিয়েছে। এভাবে সবাই যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের জন্য, মানুষের জন্য ভালো কাজগুলো করি, তাহলে সবাই উপকৃত হবো। আসুন এই বৃক্ষ রোপণের দিনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই যে যার অবস্থান থেকে পরিবেশকে সুন্দর ও ভালো রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
উচ্চশিক্ষায় গিয়ে ফিরছে না ৬০ ভাগ মেধাবী তরুণ - যুগান্তর
উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবছর হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। তবে তাদের বড় একটি অংশই পড়াশোনা শেষ করে আর দেশে ফিরছে না। উন্নত কর্মপরিবেশ, গবেষণার বিস্তৃত সুযোগ, উচ্চ বেতন, স্থায়ী বসবাসের সুযোগ এবং উন্নতমানের জীবন আকর্ষণে তারা বিদেশেই ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। ফলে দেশের তরুণ মেধাবীদের আলোয় আলোকিত হচ্ছে বিশ্বের নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার, হাসপাতাল, প্রযুক্তিসহ নানা প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে দেশে সীমিত গবেষণা, দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থান সংকট ও অনিরাপদ পরিবেশ এবং মেধার যথাযথ মূল্যায়নের ক্ষেত্র এখনো সেভাবে তৈরি হয়নি। এসব সীমাবদ্ধতায় দেশে ফেরার আগ্রহ কমে যাচ্ছে তাদের। ফলে উচ্চশিক্ষিত মানবসম্পদের একটি বড় অংশ বিদেশে থেকে যাওয়ায় দেশে মেধা পাচারের আশঙ্কা আরও প্রকট হচ্ছে।
নামছে পানি, বেরিয়ে আসছে ক্ষতচিহ্ন - দৈনিক ইত্তেফাক
পার্বত্য অঞ্চল
থেকে ধীরে ধীরে পানি নামতে শুরু করেছে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠছে
দুর্যোগের চিত্র। কোথাও ভেঙেছে গ্রামীণ সড়ক, কোথাও ধসে পড়েছে সেতু। ডুবে গেছে আমন
ও আউশের বীজতলা, সবজিখেত, জুমখেত।
আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করলেও হাজারো পরিবার স্বাভাবিক জীবনে
ফিরতে কয়েক দিন সময় লাগবে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও
শিশুখাদ্যের তীব্র সংকটে দিন কাটছে বানভাসি মানুষের। অনেক স্থানে এখনো সরকারি
ত্রাণ পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। বান্দরবানে যোগাযোগ ও কৃষি খাতে
আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
রাঙ্গামাটিতে কমপক্ষে ১৩১টি স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এদিকে পাহাড়ি ঢলে নতুন
করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল, রংপুরের
গঙ্গাচড়ায় তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চল তলিয়ে গেছে। গাইবান্ধায় নদনদীর পানি
বাড়ার পাশাপাশি দেখা দিয়ে তীব্র ভাঙন।
\

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
বন্যায় বিপুল ক্ষতি, মৃত্যু ৫৪ - কালের কন্ঠ
সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বৃহত্তর চট্টগ্রামের পাঁচ জেলা, সিলেটের হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার ছাড়াও আরো কিছু জেলা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। বানের পানি কমতে শুরু করেছে এসব জেলায়। তবে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পার্বত্য এলাকা বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার আম চাষিরা বানের জল কমার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায় লোকসানের শঙ্কায় আছেন। উপজেলার নতুন পাড়ার আম চাষিরা জানিয়েছেন, বাড়িঘর, বাগান থেকে পানি নামলেও বড় ক্ষতির মুখে পড়বেন। পানি থাকায় বাগানেই পচেছে আম। বন্যা পরিস্থিতিতে বিক্রি করতে পারেননি। বানের পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বন্যার ছোবলে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোয় ধীরে ধীরে ক্ষতির দগদগে চিহ্ন বের হচ্ছে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতি নিয়ে আছে দুশ্চিন্তায়।
পানি কমছে, লড়াই টিকে থাকার - প্রথম আলো
‘সারা জীবন
কষ্ট কইরা যেই ঘরডা বানাইছিলাম, অই ঘরখানা নিমিষে ভাইঙা গ্যাছে। অহন
পোলা, পোলার বউ আর নাতি–নাতনি লইয়া আমরা ছয়জন মানুষের
থাকার আর কোনো ঠাঁই নাই। সব শেষ অইয়্যা গেল।’
কথাগুলো
ষাটোর্ধ্ব রানী দেবের। তাঁর বাড়ি হবিগঞ্জ সদরের সুঘর গ্রামে। বন্যায় তার কাঁচা
ঘরটি ভেঙে গেছে। বন্যার পানি কমার পর ভাঙা সেই বাড়িতে ফিরেছেন তাঁরা। তবে মাথা
গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবারটি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, মৌলভীবাজারের ৫৯ উপজেলা বন্যা প্লাবিত হয়েছে। এসব অঞ্চলে বন্যার পানি কমে স্পষ্ট হতে শুরু করেছে ক্ষতির চিত্র। বাসিন্দারা ঘরবাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। তবে শুরু হয়েছে টিকে থাকার নতুন লড়াই।
লালদিয়া টার্মিনাল: তড়িঘড়ি করে 'অসম চুক্তি'র অভিযোগ সংসদে - সংবাদ
বিগত আওয়ামী
লীগ সরকারের আমলে প্রক্রিয়া শুরু হওয়া এবং মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে অনুমোদন পাওয়া একটি চুক্তি নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন
উঠেছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ
ও পরিচালনার কাজ পেয়েছে ডেনমার্কভিত্তিক কোম্পানি এপিএম টার্মিনালস।
চুক্তিটি 'তড়িঘড়ি করে' করা হয়েছে এবং এটি একটি 'অসম চুক্তি' বলে গতকাল সংসদের বৈঠকে অভিযোগ তুলেছেন সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) মো. শাহাদাত হোসেন। সেই চুক্তি বাতিল করে নতুন চুক্তি করার কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের আছে কিনা, নৌ-পরিবহনমন্ত্রীর কাছে তা জানতে চেয়েছেন তিনি।
পানিতে ডোবে ঢাকার ১২৯ স্থান - আজকের পত্রিকা
আষাঢ়ের শেষ
সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টায় থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিতে রাজধানীর অন্তত ১২৯টি স্থানে
জলাবদ্ধতায় ভুগেছে মানুষ। গত শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে তলিয়েছে নগরের
নিচু এলাকা। অনেক সড়কের পাশাপাশি কিছু প্রধান সড়কে জমে হাঁটু থেকে কোমরপানি। কোনো
কোনো এলাকায় বাসাবাড়িতেও ঢুকেছে পানি।
রোববারের পর গতকাল সোমবারও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবারও বৃষ্টি থাকবে। ভারী বৃষ্টি হলে আজও কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।
দুর্যোগের পূর্বাভাস ছিল, মাঠে কার্যকর প্রস্তুতি ছিল না - সমকাল
দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তরের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড়ধস হতে পারে– এমন সতর্কবার্তা গত ১ জুলাই থেকেই দেওয়া হচ্ছিল আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বার্তা। এমনকি এল নিনোর প্রভাবে বড় বন্যার শঙ্কার কথাও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর জানা। তবে সেই পূর্বাভাস সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি।
রাজধানীর শত্রু চিনে নিন - দেশ রুপান্তর
সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যাচ্ছে ঢাকার বহু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকা। জলাবদ্ধতায় জনজীবনে নেমে আসে নানামাত্রিক দুর্ভোগ। স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানী। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের অবাধ ব্যবহার পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলেছে। নগরবাসী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্লাস্টিক ও পলিথিন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
বন্দি মানুষ বিপর্যস্ত জনজীবন - বাংলাদেশ প্রতিদিন
অতিভারী বর্ষণ, বন্যা
ও পাহাড় ধসে গতকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪-এ দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশের সাত
জেলায় এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার। বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত
মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে। গতকাল বিকালে দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বন্যাসংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ কথা
জানানো হয়েছে।
সব শ্রেণিপেশার মানুষ রাজপথে নেমে স্বৈরাচার হটিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী - নয়া দিগন্ত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ মিলে যুদ্ধ করে আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। মাত্র কয়েকদিন আগের কথা, স্বৈরাচারকে এ দেশ থেকে বিদায় করেছি। সব শ্রেণীপেশার, সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ রাজপথে নেমে এসে স্বৈরাচারকে দেশ থেকে হটিয়েছে। এভাবে সবাই যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের জন্য, মানুষের জন্য ভালো কাজগুলো করি, তাহলে সবাই উপকৃত হবো। আসুন এই বৃক্ষ রোপণের দিনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই যে যার অবস্থান থেকে পরিবেশকে সুন্দর ও ভালো রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
উচ্চশিক্ষায় গিয়ে ফিরছে না ৬০ ভাগ মেধাবী তরুণ - যুগান্তর
উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবছর হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। তবে তাদের বড় একটি অংশই পড়াশোনা শেষ করে আর দেশে ফিরছে না। উন্নত কর্মপরিবেশ, গবেষণার বিস্তৃত সুযোগ, উচ্চ বেতন, স্থায়ী বসবাসের সুযোগ এবং উন্নতমানের জীবন আকর্ষণে তারা বিদেশেই ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। ফলে দেশের তরুণ মেধাবীদের আলোয় আলোকিত হচ্ছে বিশ্বের নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার, হাসপাতাল, প্রযুক্তিসহ নানা প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে দেশে সীমিত গবেষণা, দক্ষতাসম্পন্ন কর্মসংস্থান সংকট ও অনিরাপদ পরিবেশ এবং মেধার যথাযথ মূল্যায়নের ক্ষেত্র এখনো সেভাবে তৈরি হয়নি। এসব সীমাবদ্ধতায় দেশে ফেরার আগ্রহ কমে যাচ্ছে তাদের। ফলে উচ্চশিক্ষিত মানবসম্পদের একটি বড় অংশ বিদেশে থেকে যাওয়ায় দেশে মেধা পাচারের আশঙ্কা আরও প্রকট হচ্ছে।
নামছে পানি, বেরিয়ে আসছে ক্ষতচিহ্ন - দৈনিক ইত্তেফাক
পার্বত্য অঞ্চল
থেকে ধীরে ধীরে পানি নামতে শুরু করেছে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে স্পষ্ট হয়ে উঠছে
দুর্যোগের চিত্র। কোথাও ভেঙেছে গ্রামীণ সড়ক, কোথাও ধসে পড়েছে সেতু। ডুবে গেছে আমন
ও আউশের বীজতলা, সবজিখেত, জুমখেত।
আশ্রয়কেন্দ্র থেকে মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করলেও হাজারো পরিবার স্বাভাবিক জীবনে
ফিরতে কয়েক দিন সময় লাগবে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও
শিশুখাদ্যের তীব্র সংকটে দিন কাটছে বানভাসি মানুষের। অনেক স্থানে এখনো সরকারি
ত্রাণ পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। বান্দরবানে যোগাযোগ ও কৃষি খাতে
আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
রাঙ্গামাটিতে কমপক্ষে ১৩১টি স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এদিকে পাহাড়ি ঢলে নতুন
করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল, রংপুরের
গঙ্গাচড়ায় তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চল তলিয়ে গেছে। গাইবান্ধায় নদনদীর পানি
বাড়ার পাশাপাশি দেখা দিয়ে তীব্র ভাঙন।
\

আপনার মতামত লিখুন