২০২৬ সালের বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও স্পেন। ডালেসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচটি কেবল দুই দলের লড়াই নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাতারকা কিলিয়ান এমবাপে ও লামিন ইয়ামালের ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে। দুই দলের জয়ে এই দুই খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সই মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইয়ামাল ব্যক্তিগত লড়াইয়ে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। ফুটবলীয় অভিজাত স্তরে এমবাপের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১০ বার মুখোমুখি হয়ে ৮ বারই জয় পেয়েছেন ইয়ামাল, বিপরীতে ফরাসি স্ট্রাইকার জয় পেয়েছেন মাত্র দুই ম্যাচে।
জাতীয় দলের জার্সিতে এটি এমবাপে ও ইয়ামালের তৃতীয় লড়াই। আগের দুই লড়াইয়ে শতভাগ জয় নিয়ে এগিয়ে আছেন স্পেনের এই তরুণ তারকা। এর মধ্যে প্রথমটি ছিল গত ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে, যেখানে মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ইয়ামালের নান্দনিক গোলেই সমতায় ফিরেছিল স্পেন এবং পরে দানি ওলমোর গোলে জয় পায় তারা।
ইয়ামালের বিপরীতে এমবাপের দুটি জয়ের একটি ছিল ২০২৩-২৪ চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজির ৪-১ ব্যবধানের জয়, যেখানে এমবাপে জোড়া গোল করেছিলেন। অন্যটি আসে ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্নাব্যুতে ২-১ ব্যবধানের জয়ে, যেখানে ম্যাচের ডেডলক ভেঙেছিলেন এমবাপে।
তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে নামা ফ্রান্স অধিনায়ক এমবাপের লক্ষ্য ফাইনালে ওঠা। এর আগে রাশিয়ায় বিশ্বকাপ জয়ের পর কাতারে হ্যাটট্রিক করেও টাইব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল তার। বিশ্বকাপে ২০ ম্যাচে ২০ গোল করার রেকর্ড তাকে এই ম্যাচের মূল আকর্ষণে পরিণত করেছে।
তবে মাঠের অন্য প্রান্তে থাকা ইয়ামালও স্পেনের জন্য বড় ভরসার নাম। এই দুই তারকার দ্বৈরথে শেষ পর্যন্ত কার হাসি ফোটে, তা দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।
এদিকে, স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ফ্রান্সের সামনে হাতছানি দিচ্ছে ৮৮ বছরের পুরোনো এক রেকর্ড। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত খেলা ছয়টি ম্যাচের সবকটিতে জিতে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে রয়েছে দিদিয়ের দেশমের দল।
সেমিফাইনালে জয় পেলে ইউরোপের দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপে টানা সাতটি ম্যাচ জেতার রেকর্ডে নাম লেখাবে ফ্রান্স। বিশ্বকাপে এই অনন্য রেকর্ডটি এখন পর্যন্ত কেবল ইতালির দখলে। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সাল মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচ জয়ী ইতালির এই রেকর্ড গত ৮৮ বছরে ইউরোপের আর কোনো দল স্পর্শ করতে পারেনি। সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ইতালিকে ছুঁতে আজ স্পেনের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই ফ্রান্সের সামনে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
২০২৬ সালের বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও স্পেন। ডালেসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ম্যাচটি কেবল দুই দলের লড়াই নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের দুই মহাতারকা কিলিয়ান এমবাপে ও লামিন ইয়ামালের ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে। দুই দলের জয়ে এই দুই খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সই মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইয়ামাল ব্যক্তিগত লড়াইয়ে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। ফুটবলীয় অভিজাত স্তরে এমবাপের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১০ বার মুখোমুখি হয়ে ৮ বারই জয় পেয়েছেন ইয়ামাল, বিপরীতে ফরাসি স্ট্রাইকার জয় পেয়েছেন মাত্র দুই ম্যাচে।
জাতীয় দলের জার্সিতে এটি এমবাপে ও ইয়ামালের তৃতীয় লড়াই। আগের দুই লড়াইয়ে শতভাগ জয় নিয়ে এগিয়ে আছেন স্পেনের এই তরুণ তারকা। এর মধ্যে প্রথমটি ছিল গত ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে, যেখানে মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় ইয়ামালের নান্দনিক গোলেই সমতায় ফিরেছিল স্পেন এবং পরে দানি ওলমোর গোলে জয় পায় তারা।
ইয়ামালের বিপরীতে এমবাপের দুটি জয়ের একটি ছিল ২০২৩-২৪ চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজির ৪-১ ব্যবধানের জয়, যেখানে এমবাপে জোড়া গোল করেছিলেন। অন্যটি আসে ২০২৫-২৬ মৌসুমে বার্নাব্যুতে ২-১ ব্যবধানের জয়ে, যেখানে ম্যাচের ডেডলক ভেঙেছিলেন এমবাপে।
তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে নামা ফ্রান্স অধিনায়ক এমবাপের লক্ষ্য ফাইনালে ওঠা। এর আগে রাশিয়ায় বিশ্বকাপ জয়ের পর কাতারে হ্যাটট্রিক করেও টাইব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল তার। বিশ্বকাপে ২০ ম্যাচে ২০ গোল করার রেকর্ড তাকে এই ম্যাচের মূল আকর্ষণে পরিণত করেছে।
তবে মাঠের অন্য প্রান্তে থাকা ইয়ামালও স্পেনের জন্য বড় ভরসার নাম। এই দুই তারকার দ্বৈরথে শেষ পর্যন্ত কার হাসি ফোটে, তা দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।
এদিকে, স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ফ্রান্সের সামনে হাতছানি দিচ্ছে ৮৮ বছরের পুরোনো এক রেকর্ড। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত খেলা ছয়টি ম্যাচের সবকটিতে জিতে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে রয়েছে দিদিয়ের দেশমের দল।
সেমিফাইনালে জয় পেলে ইউরোপের দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপে টানা সাতটি ম্যাচ জেতার রেকর্ডে নাম লেখাবে ফ্রান্স। বিশ্বকাপে এই অনন্য রেকর্ডটি এখন পর্যন্ত কেবল ইতালির দখলে। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সাল মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচ জয়ী ইতালির এই রেকর্ড গত ৮৮ বছরে ইউরোপের আর কোনো দল স্পর্শ করতে পারেনি। সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ইতালিকে ছুঁতে আজ স্পেনের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই ফ্রান্সের সামনে।

আপনার মতামত লিখুন