নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এ সময় কনের বাবাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান। এ সময় আত্রাই থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া গ্রামের আব্দুল ওহাবের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে মোছাঃ ছামিয়া আক্তারের সঙ্গে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার জিয়ানন্দপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আজাদ আলীর বিয়ের আয়োজন চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাল্যবিবাহটি বন্ধ করে দেয়।
পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী মেয়ের বাবাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে তার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।
ইউএনও মনিরুজ্জামান বলেন, ‘১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং তা বন্ধ করি। জনস্বার্থে বাল্যবিবাহবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
\

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে একটি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এ সময় কনের বাবাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান। এ সময় আত্রাই থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া গ্রামের আব্দুল ওহাবের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে মোছাঃ ছামিয়া আক্তারের সঙ্গে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার জিয়ানন্দপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আজাদ আলীর বিয়ের আয়োজন চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাল্যবিবাহটি বন্ধ করে দেয়।
পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী মেয়ের বাবাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে তার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।
ইউএনও মনিরুজ্জামান বলেন, ‘১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং তা বন্ধ করি। জনস্বার্থে বাল্যবিবাহবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
\

আপনার মতামত লিখুন