সংবাদ

চিঠি দিবসের চিঠি


প্রকাশ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৮ এএম

চিঠি দিবসের চিঠি

‘ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ - গানের শব্দ বাঁধতে যেয়ে রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হয়তো কখনে ভাবেনি মানুষ একদিন শুধু আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখবে। 

আজ আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস। হোয়াটসঅ্যাপ আর ইমেইলের যুগে ঠিক কবে যে কাউকে চিঠি লিখেছিলাম আমার নির্বোধ মস্তিষ্ক তা স্মরণে ব্যর্থ। প্রয়োজনীয় সব কথাগুলো যখন মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই হাজার মাইল দূরের প্রাপকে খুঁজে ফেলে তখন হয়তো একখানা নীল খাম আর কাগজে লেখা কয়েক গুচ্ছ শব্দের জন্য সপ্তাহ থেকে মাস অপেক্ষা করা বিলাসিতার নামান্তর। কিন্তু, মাত্র কয়েক দশক আগের কথা যখন অফিস আদালতের দরকারী কাগজপত্র থেকে শুরু করে দূরে থাকা প্রিয়জনের খবর কিংবা কাছের কোন মানুষকে বলতে না পারা কথা সবই চলতো এই কাগজে লেখা চিঠির মাধ্যমে। এজন্যই হয়তো স্মরণে একটা দিন চিঠি দিবস হিসেবে রয়ে গেছে। 

ধারণা করা হয়, ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রিচার্ড সিম্পকিনের হাত ধরেই প্রথম চিঠি দিবসের প্রচলন হয়। নব্বই দশকের শেষের দিকে সিম্পকিন তার দেশের বড় বড় ব্যক্তিত্বদের চিঠি লিখতেন। কখনো উত্তর পেতেন আবার কখনো পেতেন না। আর উত্তর পেলে তার আনন্দের সীমা থাকতো না। এই আনন্দ তার কাজ কর্মে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দিতো। সেই ভালো লাগা থেকেই সিম্পকিন ২০১৪ সালে এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি চেয়েছিলেন চিঠি লেখার চর্চা আবার ফিরে আসুক। 

কী অসাধারণ এক কারণ! চিঠির উত্তর পাওয়ার আনন্দ তাকে কাজে উৎসাহ জোগাত। এজন্যই হয়তো প্রিয়জনের কোন চিঠি মানুষকে এত আনন্দ দেয়। 

তাই এই চিঠি দিবসেই না হয় লেখা হোক প্রিয় মানুষকে নিয়ে একখানা চিঠি। লেখা হোক মনের সব জমানো কথা, বাবাকে বলতে না পারা ভালোবাসার কথা কিংবা মাকে ‘আমি আছি তোমার পাশে’ বলতে না পারা সেই আশ্বাস অথবা প্রিয়তমার সঙ্গে নীল শাড়ির অসাধারণ যুগল। আজ না হয় মনের লুকানো সেই সব কথাকে একটু আবেগি রুপ দেয়া যাক। যেখানে থাকবে আন্তরিক সম্বোধন, আবেগি উপস্থাপন আর সবশেষে ইতি তোমার..তবেই তো আসবে এ চিঠি দিবসের স্বার্থকতা। 

চিঠি দিবসের শুভেচ্ছা। 

শিলা খাতুন, শিক্ষার্থী, 

বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চিঠি দিবসের চিঠি

প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

‘ভালো আছি, ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ - গানের শব্দ বাঁধতে যেয়ে রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হয়তো কখনে ভাবেনি মানুষ একদিন শুধু আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখবে। 

আজ আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস। হোয়াটসঅ্যাপ আর ইমেইলের যুগে ঠিক কবে যে কাউকে চিঠি লিখেছিলাম আমার নির্বোধ মস্তিষ্ক তা স্মরণে ব্যর্থ। প্রয়োজনীয় সব কথাগুলো যখন মাত্র কয়েক সেকেন্ডেই হাজার মাইল দূরের প্রাপকে খুঁজে ফেলে তখন হয়তো একখানা নীল খাম আর কাগজে লেখা কয়েক গুচ্ছ শব্দের জন্য সপ্তাহ থেকে মাস অপেক্ষা করা বিলাসিতার নামান্তর। কিন্তু, মাত্র কয়েক দশক আগের কথা যখন অফিস আদালতের দরকারী কাগজপত্র থেকে শুরু করে দূরে থাকা প্রিয়জনের খবর কিংবা কাছের কোন মানুষকে বলতে না পারা কথা সবই চলতো এই কাগজে লেখা চিঠির মাধ্যমে। এজন্যই হয়তো স্মরণে একটা দিন চিঠি দিবস হিসেবে রয়ে গেছে। 

ধারণা করা হয়, ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রিচার্ড সিম্পকিনের হাত ধরেই প্রথম চিঠি দিবসের প্রচলন হয়। নব্বই দশকের শেষের দিকে সিম্পকিন তার দেশের বড় বড় ব্যক্তিত্বদের চিঠি লিখতেন। কখনো উত্তর পেতেন আবার কখনো পেতেন না। আর উত্তর পেলে তার আনন্দের সীমা থাকতো না। এই আনন্দ তার কাজ কর্মে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দিতো। সেই ভালো লাগা থেকেই সিম্পকিন ২০১৪ সালে এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি চেয়েছিলেন চিঠি লেখার চর্চা আবার ফিরে আসুক। 

কী অসাধারণ এক কারণ! চিঠির উত্তর পাওয়ার আনন্দ তাকে কাজে উৎসাহ জোগাত। এজন্যই হয়তো প্রিয়জনের কোন চিঠি মানুষকে এত আনন্দ দেয়। 

তাই এই চিঠি দিবসেই না হয় লেখা হোক প্রিয় মানুষকে নিয়ে একখানা চিঠি। লেখা হোক মনের সব জমানো কথা, বাবাকে বলতে না পারা ভালোবাসার কথা কিংবা মাকে ‘আমি আছি তোমার পাশে’ বলতে না পারা সেই আশ্বাস অথবা প্রিয়তমার সঙ্গে নীল শাড়ির অসাধারণ যুগল। আজ না হয় মনের লুকানো সেই সব কথাকে একটু আবেগি রুপ দেয়া যাক। যেখানে থাকবে আন্তরিক সম্বোধন, আবেগি উপস্থাপন আর সবশেষে ইতি তোমার..তবেই তো আসবে এ চিঠি দিবসের স্বার্থকতা। 

চিঠি দিবসের শুভেচ্ছা। 

শিলা খাতুন, শিক্ষার্থী, 

বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত