সংবাদ

সাত দিনেও মেরামত হয়নি কলারোয়ার সাঁকো


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১৫ পিএম

সাত দিনেও মেরামত হয়নি কলারোয়ার সাঁকো
পানির স্রোত কমলেও মেরামত নেই সাঁকোটির। ছবি : সংবাদ

সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌর সদরের কাঁচাবাজার সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর ওপরের কাঠের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও তা মেরামত করা হয়নি। পানির তীব্র স্রোতে গত সপ্তাহে সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে দুই পাড়ের মানুষ খেয়া নৌকায় পারাপার হচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও রোগীসহ সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, ভেঙে পড়া সাঁকোর অবশিষ্টাংশ নদীর দুই পাড়ে পড়ে আছে। বর্তমানে নদীতে স্রোত ও পানির উচ্চতা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এলেও সাঁকোটি সচল করার কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। বাধ্য হয়ে মানুষ গাদাগাদি করে নৌকায় পার হচ্ছেন। সন্ধ্যার পর এলাকায় সড়কবাতি না থাকায় অন্ধকারে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই কাঠের সাঁকোটি কলারোয়া কাঁচাবাজার ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। বাজার ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ ও তারিকুল বলেন, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় বাজারে ক্রেতাদের আসা কমে গেছে। ফলে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন বলেন, প্রতি বর্ষায় সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সরকারি অর্থ ব্যয় করে সংস্কার করা হয়। কিন্তু স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতু নির্মাণ, যার কোনো সমাধান মিলছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘সাঁকোটি জনগুরুত্বপূর্ণ। নদীতে স্রোত বেশি থাকায় গত কয়েক দিন মেরামত করা সম্ভব হয়নি। পানির গতি কমেছে, আশা করছি আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬


সাত দিনেও মেরামত হয়নি কলারোয়ার সাঁকো

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌর সদরের কাঁচাবাজার সংলগ্ন বেত্রবতী নদীর ওপরের কাঠের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ার ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও তা মেরামত করা হয়নি। পানির তীব্র স্রোতে গত সপ্তাহে সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে দুই পাড়ের মানুষ খেয়া নৌকায় পারাপার হচ্ছেন। এতে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও রোগীসহ সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, ভেঙে পড়া সাঁকোর অবশিষ্টাংশ নদীর দুই পাড়ে পড়ে আছে। বর্তমানে নদীতে স্রোত ও পানির উচ্চতা অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এলেও সাঁকোটি সচল করার কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। বাধ্য হয়ে মানুষ গাদাগাদি করে নৌকায় পার হচ্ছেন। সন্ধ্যার পর এলাকায় সড়কবাতি না থাকায় অন্ধকারে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই কাঠের সাঁকোটি কলারোয়া কাঁচাবাজার ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম। বাজার ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ ও তারিকুল বলেন, সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় বাজারে ক্রেতাদের আসা কমে গেছে। ফলে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন বলেন, প্রতি বর্ষায় সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সরকারি অর্থ ব্যয় করে সংস্কার করা হয়। কিন্তু স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতু নির্মাণ, যার কোনো সমাধান মিলছে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘সাঁকোটি জনগুরুত্বপূর্ণ। নদীতে স্রোত বেশি থাকায় গত কয়েক দিন মেরামত করা সম্ভব হয়নি। পানির গতি কমেছে, আশা করছি আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত