সংবাদ

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বিচার পেল নির্যাতিত কিশোরী


প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও
প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বিচার পেল নির্যাতিত কিশোরী
তিনজনের আমৃত্যু ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। ছবি : সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ৩ আসামিকে আমৃত্যু এবং অন্য ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩)-এর ৯(৩)/৩০ ধারায় বিচারাধীন ছিল। 

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. আনিস ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলাল। তাদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছেন, এই ৩ আসামি জেল কোড অনুযায়ী সাজা মওকুফ বা রেয়াতের কোনো সুবিধা পাবেন না।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু ও মো. লালু। তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. আনিস ওরফে রানা পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ওই কিশোরী বান্ধবীর বাড়ি থেকে ফিরছিল। পথে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশের একটি পেট্রলপাম্পের কাছ থেকে তাকে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় একদল যুবক। সেখানে ৩ জন তাকে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করেন এবং অন্য ৩ জন তাদের সহযোগিতা করেন। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীকে গুরুতর অবস্থায় ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সদর থানায় মামলা করা হয়।

রায়ে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আসামিদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে। দণ্ডিতদের বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ থেকেও তা আদায়যোগ্য হবে। এ লক্ষ্যে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


দীর্ঘ ১৫ বছর পর বিচার পেল নির্যাতিত কিশোরী

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ৩ আসামিকে আমৃত্যু এবং অন্য ৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩)-এর ৯(৩)/৩০ ধারায় বিচারাধীন ছিল। 

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. আনিস ওরফে রানা, মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. দুলাল। তাদের প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেছেন, এই ৩ আসামি জেল কোড অনুযায়ী সাজা মওকুফ বা রেয়াতের কোনো সুবিধা পাবেন না।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. আনিছুর, মো. খতিবুর ওরফে খতু ও মো. লালু। তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. আনিস ওরফে রানা পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে ওই কিশোরী বান্ধবীর বাড়ি থেকে ফিরছিল। পথে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় সড়কের পাশের একটি পেট্রলপাম্পের কাছ থেকে তাকে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় একদল যুবক। সেখানে ৩ জন তাকে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করেন এবং অন্য ৩ জন তাদের সহযোগিতা করেন। পরে ভুক্তভোগী কিশোরীকে গুরুতর অবস্থায় ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সদর থানায় মামলা করা হয়।

রায়ে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আসামিদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে। দণ্ডিতদের বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ থেকেও তা আদায়যোগ্য হবে। এ লক্ষ্যে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত