টাঙ্গাইলে পৃথক ২টি হত্যা মামলায় ২ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক পৃথকভাবে এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে নাজিরুল ইসলাম জিহাদ (২৮) এবং দেলদুয়ার উপজেলার বর্নী গ্রামের সোহরাব হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৮ জুন ভূঞাপুরের খাড়াবাড়ী গ্রামে আম পাড়ার বাঁশের লাঠি নিয়ে বিরোধের জেরে মেহেদী মোস্তফা রাজীবকে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান আসামি নাজিরুল ইসলাম জিহাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২১ সালের ৫ মে দেলদুয়ার উপজেলার দক্ষিণ পাড়া গ্রামে হাজেরা বেগম (৬০), তার মেয়ে নাসরিন আক্তার (২২) এবং ভাগনে মোস্তফা রাতের খাবার খেয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোরে মোস্তফা ফজরের নামাজ শেষে ঘরে ফিরে মা ও খালাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে একটি পাটখেতে হাজেরা ও নাসরিনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় নিহত হাজেরা বেগমের ছেলে মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সোহরাব হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা।
/

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
টাঙ্গাইলে পৃথক ২টি হত্যা মামলায় ২ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক পৃথকভাবে এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে নাজিরুল ইসলাম জিহাদ (২৮) এবং দেলদুয়ার উপজেলার বর্নী গ্রামের সোহরাব হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৮ জুন ভূঞাপুরের খাড়াবাড়ী গ্রামে আম পাড়ার বাঁশের লাঠি নিয়ে বিরোধের জেরে মেহেদী মোস্তফা রাজীবকে হত্যা করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান আসামি নাজিরুল ইসলাম জিহাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২১ সালের ৫ মে দেলদুয়ার উপজেলার দক্ষিণ পাড়া গ্রামে হাজেরা বেগম (৬০), তার মেয়ে নাসরিন আক্তার (২২) এবং ভাগনে মোস্তফা রাতের খাবার খেয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোরে মোস্তফা ফজরের নামাজ শেষে ঘরে ফিরে মা ও খালাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে একটি পাটখেতে হাজেরা ও নাসরিনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় নিহত হাজেরা বেগমের ছেলে মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় সোহরাব হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা।
/

আপনার মতামত লিখুন