কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে মাসুদ মিয়া (৩৭) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল আটটা থেকে টানা ৪ ঘণ্টা চলা এই সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন।
সংঘর্ষের জেরে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে এক ঘণ্টা যান চলাচল এবং ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথে ৪ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। নিহত মাসুদ মিয়া উপজেলার মিরারচর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের মানুষের মধ্যে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকার নামকরণ নিয়ে ৪৫ বছর ধরে বিরোধ চলছে। এক পক্ষ এলাকাটিকে ‘আকবরনগর বাজার’ এবং অন্য পক্ষ ‘মিরারচর বাজার’ দাবি করে আসছে। এই বিরোধ মেটাতে গতকাল রোববার বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. শরীফুল আলম উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন। তিনি ১০ সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করে ৩ দিনের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিমন্ত্রীর সেই আশ্বাসের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই সোমবার সকালে দুই গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সকালে দুই গ্রামের মানুষ ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়ক দখল করে সংঘর্ষ শুরু করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে সড়ক থেকে সরে গিয়ে তারা রেলপথের ওপর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ভৈরব-ময়মনসিংহ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে ১৮ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কালিকাপ্রসাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো. লিটন মিয়া বলেন, “মন্ত্রী মহোদয় সমাধানের আশ্বাস দেওয়ার পরও কোনো পক্ষ ধৈর্য ধরল না। আমাদের কিছু জানানোর আগেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।”
ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ বলেন, বাজারের নামকরণ নিয়ে দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বে একজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। কিশোরগঞ্জ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত থাকলেও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
\

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে মাসুদ মিয়া (৩৭) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল আটটা থেকে টানা ৪ ঘণ্টা চলা এই সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন।
সংঘর্ষের জেরে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে এক ঘণ্টা যান চলাচল এবং ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথে ৪ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। নিহত মাসুদ মিয়া উপজেলার মিরারচর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের মানুষের মধ্যে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকার নামকরণ নিয়ে ৪৫ বছর ধরে বিরোধ চলছে। এক পক্ষ এলাকাটিকে ‘আকবরনগর বাজার’ এবং অন্য পক্ষ ‘মিরারচর বাজার’ দাবি করে আসছে। এই বিরোধ মেটাতে গতকাল রোববার বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. শরীফুল আলম উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন। তিনি ১০ সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করে ৩ দিনের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিমন্ত্রীর সেই আশ্বাসের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই সোমবার সকালে দুই গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সকালে দুই গ্রামের মানুষ ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়ক দখল করে সংঘর্ষ শুরু করলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে সড়ক থেকে সরে গিয়ে তারা রেলপথের ওপর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ভৈরব-ময়মনসিংহ পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে ১৮ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কালিকাপ্রসাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো. লিটন মিয়া বলেন, “মন্ত্রী মহোদয় সমাধানের আশ্বাস দেওয়ার পরও কোনো পক্ষ ধৈর্য ধরল না। আমাদের কিছু জানানোর আগেই তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।”
ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ বলেন, বাজারের নামকরণ নিয়ে দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বে একজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। কিশোরগঞ্জ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত থাকলেও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
\

আপনার মতামত লিখুন