কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে লোকালয়ে শেয়ালের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) এক দিনেই শেয়ালের কামড়ে নারী ও শিশুসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। একই দিনে বিড়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। ভুক্তভোগী ১২ জনই কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেয়ালের কামড়ে আহতদের মধ্যে সালুয়া ইউনিয়নের বাজরা মাছিমপুর গ্রামের ৩ জন - নারগিস আক্তার (৩৯), মেহেরা বানু (৭০) ও পেয়ারা বানু (৬৫) এবং ফরিদপুর ইউনিয়নের নলবাইদ গ্রামের ৬ জন - ফারুক (৫০), আবির (৯), মোশাররফ (৩৫), দিপালী রানী (২৯), মুসানা (৩২) ও সিয়াম (২২) রয়েছেন। অন্যদিকে, বিড়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন ভাটি জগৎচর গ্রামের মুক্তা (২০), ছয়সূতি ইউনিয়নের দাড়িয়াকান্দি গ্রামের ফারহান (৩) এবং মানিকদী গ্রামের সাকিবুল (১২)।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি গ্রামে শেয়ালের বিচরণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। দিনের বেলাতেও শেয়ালকে লোকালয়ে কুকুরের মতো অবাধে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ করে মানুষের ওপর শেয়ালের এমন আক্রমণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকেরা।
কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আদনান আখতার বলেন, “আক্রান্তদের মধ্যে গত দুই দিনে ১২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। প্রাণী কামড়ালে ক্ষতস্থান দ্রুত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা নিতে হবে।” তিনি সামাজিকভাবে পাগলা শেয়াল নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইয়াসিন খন্দকার বলেন, বিষয়টি উদ্বেগজনক। হাসপাতালে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা রয়েছে। আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লোকালয়ে পাগলা শেয়ালের উপদ্রব কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে লোকালয়ে শেয়ালের উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) এক দিনেই শেয়ালের কামড়ে নারী ও শিশুসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। একই দিনে বিড়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। ভুক্তভোগী ১২ জনই কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেয়ালের কামড়ে আহতদের মধ্যে সালুয়া ইউনিয়নের বাজরা মাছিমপুর গ্রামের ৩ জন - নারগিস আক্তার (৩৯), মেহেরা বানু (৭০) ও পেয়ারা বানু (৬৫) এবং ফরিদপুর ইউনিয়নের নলবাইদ গ্রামের ৬ জন - ফারুক (৫০), আবির (৯), মোশাররফ (৩৫), দিপালী রানী (২৯), মুসানা (৩২) ও সিয়াম (২২) রয়েছেন। অন্যদিকে, বিড়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন ভাটি জগৎচর গ্রামের মুক্তা (২০), ছয়সূতি ইউনিয়নের দাড়িয়াকান্দি গ্রামের ফারহান (৩) এবং মানিকদী গ্রামের সাকিবুল (১২)।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি গ্রামে শেয়ালের বিচরণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। দিনের বেলাতেও শেয়ালকে লোকালয়ে কুকুরের মতো অবাধে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে। হঠাৎ করে মানুষের ওপর শেয়ালের এমন আক্রমণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকেরা।
কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আদনান আখতার বলেন, “আক্রান্তদের মধ্যে গত দুই দিনে ১২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। প্রাণী কামড়ালে ক্ষতস্থান দ্রুত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা নিতে হবে।” তিনি সামাজিকভাবে পাগলা শেয়াল নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইয়াসিন খন্দকার বলেন, বিষয়টি উদ্বেগজনক। হাসপাতালে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা রয়েছে। আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লোকালয়ে পাগলা শেয়ালের উপদ্রব কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন