মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝিকরহাটি গ্রামে একটি পরিত্যক্ত ঘরে শক্তিশালী হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটমাঝি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকপক্ষের দাবি, গ্রাম্য দলাদলির জেরে তাঁদের ফাঁসাতে বা ভয় দেখাতে পরিকল্পিতভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের বাসিন্দা জালাল খানের একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বোমাটি বিস্ফোরিত হয়। জালাল খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় থাকেন না। তাঁর এই পরিত্যক্ত ঘরের পাশেই ভাতিজা সোহাগ খানের দোতলা ভবন। বিস্ফোরণের সময় বিকট শব্দে সোহাগের বসতঘরটি কেঁপে ওঠে এবং পরিত্যক্ত ঘরের টিনের চালার একাংশ উড়ে যায়।
সোহাগ খানের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, ‘আমি ঘরে সন্তানদের জন্য খাবার তৈরি করছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দে পুরো বাড়ি কেঁপে ওঠে। ভয়ে আমরা কিছুক্ষণ বের হতে পারিনি। পরে প্রতিবেশীরা এলে দেখা যায়, পরিত্যক্ত ঘরে বোমা মারা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, গতকাল সকালে তাঁদের একটি নতুন দোকানের উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে গ্রামের সবাইকে দাওয়াত দিতে না পারার ক্ষোভ থেকে কেউ এই কাজ করে থাকতে পারে।
পলাশ খানের ভাই রানা খান বলেন, ‘আমরা নতুন একটি ব্যবসা শুরু করেছি। এলাকায় দলাদলি রয়েছে। কাউকে দাওয়াত দিতে না পারার ক্ষোভে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাদের ফাঁসালে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন।’
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝিকরহাটি গ্রামে একটি পরিত্যক্ত ঘরে শক্তিশালী হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটমাঝি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিকপক্ষের দাবি, গ্রাম্য দলাদলির জেরে তাঁদের ফাঁসাতে বা ভয় দেখাতে পরিকল্পিতভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের বাসিন্দা জালাল খানের একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বোমাটি বিস্ফোরিত হয়। জালাল খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় থাকেন না। তাঁর এই পরিত্যক্ত ঘরের পাশেই ভাতিজা সোহাগ খানের দোতলা ভবন। বিস্ফোরণের সময় বিকট শব্দে সোহাগের বসতঘরটি কেঁপে ওঠে এবং পরিত্যক্ত ঘরের টিনের চালার একাংশ উড়ে যায়।
সোহাগ খানের স্ত্রী তানিয়া আক্তার বলেন, ‘আমি ঘরে সন্তানদের জন্য খাবার তৈরি করছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দে পুরো বাড়ি কেঁপে ওঠে। ভয়ে আমরা কিছুক্ষণ বের হতে পারিনি। পরে প্রতিবেশীরা এলে দেখা যায়, পরিত্যক্ত ঘরে বোমা মারা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, গতকাল সকালে তাঁদের একটি নতুন দোকানের উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে গ্রামের সবাইকে দাওয়াত দিতে না পারার ক্ষোভ থেকে কেউ এই কাজ করে থাকতে পারে।
পলাশ খানের ভাই রানা খান বলেন, ‘আমরা নতুন একটি ব্যবসা শুরু করেছি। এলাকায় দলাদলি রয়েছে। কাউকে দাওয়াত দিতে না পারার ক্ষোভে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাদের ফাঁসালে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন।’
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন