ভারতের মুম্বাই থেকে ধরে এনে বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ‘পুশ-ইন’ করা হয়েছে শাহিদা ফকির (৪০) নামে এক ভারতীয় নারীকে। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পূর্ব ভাদিয়ালি গ্রামের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। দুই সন্তানের জননী শাহিদা এখন ভারতে তার সন্তানদের কাছে ফিরে যেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চাইছেন।
শাহিদা ফকির ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার গোবিন্দপুর গ্রামের জুম্মান ফকিরের স্ত্রী। গত ২০ বছর ধরে তিনি স্বামীসহ মুম্বাইয়ে বসবাস করছিলেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) কলারোয়ায় সংবাদমাধ্যমের কাছে শাহিদা অভিযোগ করেন, চলতি মাসের ১৮ বা ১৯ জুলাই রাতে মুম্বাইয়ের একটি স্থানীয় বাজার থেকে খাবার কিনে ফেরার সময় ৪-৫ জন ব্যক্তি তাকে আটক করে। নিজেদের ভারতীয় সিআইডির সদস্য পরিচয় দিয়ে তারা শাহিদার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। আধার কার্ডসহ বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সেগুলো যাচাই না করেই তাকে মুম্বাইয়ের চেম্বুর ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৪ দিন রাখার পর বিমানে করে আসাম সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসা হয় এবং কয়েকজনের একটি দলের সঙ্গে তাকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়।
সীমান্ত পার হওয়ার পর শাহিদা অসুস্থ অবস্থায় বেনাপোলে পৌঁছান। সেখানে তাকে কান্নাকাটি করতে দেখে কলারোয়ার ভাদিয়ালি গ্রামের আবুল বাশার নামের এক ব্যক্তি মানবিক কারণে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। গত ৫ দিন ধরে তিনি সেখানেই আশ্রয় নিয়েছেন। শাহিদার দাবি, তার ১৭ ও ১৪ বছর বয়সী দুটি সন্তান ভারতে রয়েছে এবং তিনি দ্রুত তাদের কাছে ফিরতে চান।
ভাদিয়ালি গ্রামের বাসিন্দা আরিফা বেগম জানান, তার স্বামী আবুল বাশার বেনাপোল থেকে ফেরার পথে ওই নারীকে বিধ্বস্ত অবস্থায় দেখতে পান। তখন তার শরীরে কাদা ও পোশাক ছেঁড়া ছিল। অসহায় অবস্থা দেখে তাকে বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন বলেন, ওই নারী স্থানীয় সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেননি। তাকে ভারতের অন্য কোনো সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন জানান, বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে জেনেছেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
\

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
ভারতের মুম্বাই থেকে ধরে এনে বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ‘পুশ-ইন’ করা হয়েছে শাহিদা ফকির (৪০) নামে এক ভারতীয় নারীকে। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পূর্ব ভাদিয়ালি গ্রামের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। দুই সন্তানের জননী শাহিদা এখন ভারতে তার সন্তানদের কাছে ফিরে যেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চাইছেন।
শাহিদা ফকির ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার গোবিন্দপুর গ্রামের জুম্মান ফকিরের স্ত্রী। গত ২০ বছর ধরে তিনি স্বামীসহ মুম্বাইয়ে বসবাস করছিলেন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) কলারোয়ায় সংবাদমাধ্যমের কাছে শাহিদা অভিযোগ করেন, চলতি মাসের ১৮ বা ১৯ জুলাই রাতে মুম্বাইয়ের একটি স্থানীয় বাজার থেকে খাবার কিনে ফেরার সময় ৪-৫ জন ব্যক্তি তাকে আটক করে। নিজেদের ভারতীয় সিআইডির সদস্য পরিচয় দিয়ে তারা শাহিদার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। আধার কার্ডসহ বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও সেগুলো যাচাই না করেই তাকে মুম্বাইয়ের চেম্বুর ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৪ দিন রাখার পর বিমানে করে আসাম সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসা হয় এবং কয়েকজনের একটি দলের সঙ্গে তাকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়।
সীমান্ত পার হওয়ার পর শাহিদা অসুস্থ অবস্থায় বেনাপোলে পৌঁছান। সেখানে তাকে কান্নাকাটি করতে দেখে কলারোয়ার ভাদিয়ালি গ্রামের আবুল বাশার নামের এক ব্যক্তি মানবিক কারণে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। গত ৫ দিন ধরে তিনি সেখানেই আশ্রয় নিয়েছেন। শাহিদার দাবি, তার ১৭ ও ১৪ বছর বয়সী দুটি সন্তান ভারতে রয়েছে এবং তিনি দ্রুত তাদের কাছে ফিরতে চান।
ভাদিয়ালি গ্রামের বাসিন্দা আরিফা বেগম জানান, তার স্বামী আবুল বাশার বেনাপোল থেকে ফেরার পথে ওই নারীকে বিধ্বস্ত অবস্থায় দেখতে পান। তখন তার শরীরে কাদা ও পোশাক ছেঁড়া ছিল। অসহায় অবস্থা দেখে তাকে বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।
সোনাবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন বলেন, ওই নারী স্থানীয় সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেননি। তাকে ভারতের অন্য কোনো সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন জানান, বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে জেনেছেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
\

আপনার মতামত লিখুন