সংবাদ

‘১০ লাখ টাকা হাতিয়ে’ ধরা খেলেন ভুয়া আইনজীবী


প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশ: ৪ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩৭ পিএম

‘১০ লাখ টাকা হাতিয়ে’ ধরা খেলেন ভুয়া আইনজীবী
ছবি : সংবাদ

চুয়াডাঙ্গা আদালত চত্বর থেকে নিজেকে হাইকোর্টের আইনজীবী দাবি করা এক প্রতারক ও তার সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। উচ্চ আদালতের আইনজীবী সেজে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে তাদের আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

আটক এ এস এম সাগর আহম্মেদ কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার সহযোগী মকবুল হোসেন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের বাসিন্দা।

চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম (মানি খন্দকার) জানান, সাগর আহম্মেদ নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা গ্রামে বিয়ে করেন। তিনি চুয়াডাঙ্গায় অবস্থান করে বিভিন্ন মানুষকে উচ্চ আদালত থেকে জামিন ও মামলার রায় পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের একজন আলমডাঙ্গা উপজেলার এরশাদপুর গ্রামের বিপ্লব আলী জানান, জমির রায় হাইকোর্ট থেকে পক্ষে আনিয়ে দেওয়ার কথা বলে সাগর তার কাছ থেকে ১ লাখ ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এরপর থেকে সাগর তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। আজ সকালে বিপ্লব চুয়াডাঙ্গা আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা করতে এসে দেখেন, সাগর আদালত চত্বরেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পরে আইনজীবী সহকারীদের সহযোগিতায় সাগর ও তার এক সহযোগীকে ধরে আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাগর প্রথমে নিজেকে কিশোরগঞ্জ বারের সদস্য এবং পরে ঢাকা হাইকোর্টের এক আইনজীবীর জুনিয়র বলে দাবি করেন। তবে তার দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় এবং প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আটক সাগর আহম্মেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬


‘১০ লাখ টাকা হাতিয়ে’ ধরা খেলেন ভুয়া আইনজীবী

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গা আদালত চত্বর থেকে নিজেকে হাইকোর্টের আইনজীবী দাবি করা এক প্রতারক ও তার সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। উচ্চ আদালতের আইনজীবী সেজে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে তাদের আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

আটক এ এস এম সাগর আহম্মেদ কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার সহযোগী মকবুল হোসেন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মজলিশপুর গ্রামের বাসিন্দা।

চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম (মানি খন্দকার) জানান, সাগর আহম্মেদ নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়ে দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা গ্রামে বিয়ে করেন। তিনি চুয়াডাঙ্গায় অবস্থান করে বিভিন্ন মানুষকে উচ্চ আদালত থেকে জামিন ও মামলার রায় পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের একজন আলমডাঙ্গা উপজেলার এরশাদপুর গ্রামের বিপ্লব আলী জানান, জমির রায় হাইকোর্ট থেকে পক্ষে আনিয়ে দেওয়ার কথা বলে সাগর তার কাছ থেকে ১ লাখ ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এরপর থেকে সাগর তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। আজ সকালে বিপ্লব চুয়াডাঙ্গা আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা করতে এসে দেখেন, সাগর আদালত চত্বরেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পরে আইনজীবী সহকারীদের সহযোগিতায় সাগর ও তার এক সহযোগীকে ধরে আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাগর প্রথমে নিজেকে কিশোরগঞ্জ বারের সদস্য এবং পরে ঢাকা হাইকোর্টের এক আইনজীবীর জুনিয়র বলে দাবি করেন। তবে তার দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় এবং প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, আটক সাগর আহম্মেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত