রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার ককটেল বিস্ফোরণ এবং কাফরুল থানার সামনে ফাঁকা বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোয় চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পথচারীদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হচ্ছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বলেন, “নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তার জন্য ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ২০০টিরও বেশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।”
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ও ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে পরপর পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মো. ইবাদুর রহমান (২৬) নামের এক অটোরিকশাচালক আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এরপর মগবাজার চৌরাস্তা, মিরপুরের কাফরুল, মহাখালী, আগারগাঁও, মালিবাগ, পুরান ঢাকার বাবুবাজার, গুলিস্তান ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাফরুলে রাত ১০টার দিকে থেমে থাকা একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করে।
এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল করেন। মিছিলটি ঠেকাতে গেলে পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেন এবং গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকে প্রত্যাহার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, গুলশানের ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার ককটেল বিস্ফোরণ এবং কাফরুল থানার সামনে ফাঁকা বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোয় চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পথচারীদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হচ্ছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বলেন, “নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তার জন্য ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ২০০টিরও বেশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।”
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ও ট্রাফিক পুলিশ বক্সের কাছে পরপর পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মো. ইবাদুর রহমান (২৬) নামের এক অটোরিকশাচালক আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এরপর মগবাজার চৌরাস্তা, মিরপুরের কাফরুল, মহাখালী, আগারগাঁও, মালিবাগ, পুরান ঢাকার বাবুবাজার, গুলিস্তান ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাফরুলে রাত ১০টার দিকে থেমে থাকা একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কাজ করে।
এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল করেন। মিছিলটি ঠেকাতে গেলে পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেন এবং গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকে প্রত্যাহার করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, গুলশানের ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন