সংবাদ

থানা থেকে মুক্তি পাচ্ছে সেই ঘাতক হাতি


নাজিম বকাউল, ফরিদপুর
নাজিম বকাউল, ফরিদপুর
প্রকাশ: ৪ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম

থানা থেকে মুক্তি পাচ্ছে সেই ঘাতক হাতি
ছবি : সংবাদ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সড়কে চাঁদা তোলার সময় দুর্ঘটনায় এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জব্দ করা হাতিটি অবশেষে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এক সপ্তাহ ধরে সদরপুর থানা প্রাঙ্গণে রাখা হাতিটিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নওগাঁর মালিক দুলাল দেওয়ানের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে আদালত এই আদেশ দেন। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আল মামুন শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার শুরু গত ২৮ জুলাই দুপুরে। সদরপুরের আটরশি এলাকায় একটি হাতি দিয়ে যানবাহন থামিয়ে চাঁদা তোলা হচ্ছিল। সে সময় একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চাঁদা দেওয়া এড়াতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় ১০ মাস বয়সী শিশু আরিশা জান্নাত। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা হাতির মাহুত বকুল মিয়াকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে এবং হাতিটিকে ঘটনাস্থলে আটকে রাখে।

দুর্ঘটনার পরদিন মাহুত বকুল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে হাতিটির বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য বন বিভাগ ও পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়। দীর্ঘ এক সপ্তাহ হাতিটি সদরপুর থানা চত্বরে পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছিল।

থানা প্রাঙ্গণে থাকাকালে হাতিটির দেখাশোনার জন্য মালিকের পক্ষ থেকে নতুন একজন মাহুত পাঠানো হয়েছিল। তবে প্রতিদিন এই বিশাল প্রাণীর জন্য বিপুল পরিমাণ খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। স্থানীয় বাসিন্দা ও মালিকের সহায়তায় খাবারের ব্যবস্থা করা হলেও তা প্রায়ই অপর্যাপ্ত হয়ে পড়ত।

সদরপুর থানার ওসি আবদুল আল মামুন শাহ বলেন, ‘আদালত হাতিটি মালিকের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের লিখিত নির্দেশনা হাতে পেলেই দ্রুত এটি হস্তান্তরের কাজ শেষ করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬


থানা থেকে মুক্তি পাচ্ছে সেই ঘাতক হাতি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সড়কে চাঁদা তোলার সময় দুর্ঘটনায় এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় জব্দ করা হাতিটি অবশেষে মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এক সপ্তাহ ধরে সদরপুর থানা প্রাঙ্গণে রাখা হাতিটিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নওগাঁর মালিক দুলাল দেওয়ানের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে আদালত এই আদেশ দেন। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আল মামুন শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার শুরু গত ২৮ জুলাই দুপুরে। সদরপুরের আটরশি এলাকায় একটি হাতি দিয়ে যানবাহন থামিয়ে চাঁদা তোলা হচ্ছিল। সে সময় একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চাঁদা দেওয়া এড়াতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় ১০ মাস বয়সী শিশু আরিশা জান্নাত। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা হাতির মাহুত বকুল মিয়াকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে এবং হাতিটিকে ঘটনাস্থলে আটকে রাখে।

দুর্ঘটনার পরদিন মাহুত বকুল মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে হাতিটির বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য বন বিভাগ ও পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়। দীর্ঘ এক সপ্তাহ হাতিটি সদরপুর থানা চত্বরে পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছিল।

থানা প্রাঙ্গণে থাকাকালে হাতিটির দেখাশোনার জন্য মালিকের পক্ষ থেকে নতুন একজন মাহুত পাঠানো হয়েছিল। তবে প্রতিদিন এই বিশাল প্রাণীর জন্য বিপুল পরিমাণ খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। স্থানীয় বাসিন্দা ও মালিকের সহায়তায় খাবারের ব্যবস্থা করা হলেও তা প্রায়ই অপর্যাপ্ত হয়ে পড়ত।

সদরপুর থানার ওসি আবদুল আল মামুন শাহ বলেন, ‘আদালত হাতিটি মালিকের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের লিখিত নির্দেশনা হাতে পেলেই দ্রুত এটি হস্তান্তরের কাজ শেষ করা হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত