রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মী ইব্রাহিম পলাশ হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিচ্ছিন্ন হাত ও দুটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জুলাই রাত ৮টার পর সবুজবাগ থানাধীন রাজারবাগ বাগপাড়া পানির পাম্প সংলগ্ন এলাকায় মোস্তফা হোসেন রয়েলের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বিএনপি কর্মী ইব্রাহিম পলাশের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় তার দুই হাত বিচ্ছিন্ন করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পরপরই সবুজবাগ থানা পুলিশ গত ২২ জুলাই যাত্রাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাঈমকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যমতে, পলাশের বিচ্ছিন্ন একটি হাত এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়। এরপর গত ২৩ জুলাই নাঈম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
গত ২৭ জুলাই ময়মনসিংহ এলাকা থেকে পলাতক আসামি আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৮ জুলাই সেও আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়। মামলার প্রধান আসামি মোস্তফা হোসেন রয়েল এবং সবুজ গত ২৬ জুলাই বিজ্ঞ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি নিয়ে তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মোস্তফা হোসেন রয়েলের দেওয়া তথ্যমতে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আরও একটি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়। মোস্তফা হোসেন রয়েল গত ৩১ জুলাই এবং সবুজ গত ৩ আগস্ট আদালতে নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য পলাতকদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর সবুজবাগে বিএনপি কর্মী ইব্রাহিম পলাশ হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিচ্ছিন্ন হাত ও দুটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জুলাই রাত ৮টার পর সবুজবাগ থানাধীন রাজারবাগ বাগপাড়া পানির পাম্প সংলগ্ন এলাকায় মোস্তফা হোসেন রয়েলের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বিএনপি কর্মী ইব্রাহিম পলাশের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় তার দুই হাত বিচ্ছিন্ন করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পরপরই সবুজবাগ থানা পুলিশ গত ২২ জুলাই যাত্রাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাঈমকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যমতে, পলাশের বিচ্ছিন্ন একটি হাত এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়। এরপর গত ২৩ জুলাই নাঈম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
গত ২৭ জুলাই ময়মনসিংহ এলাকা থেকে পলাতক আসামি আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২৮ জুলাই সেও আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়। মামলার প্রধান আসামি মোস্তফা হোসেন রয়েল এবং সবুজ গত ২৬ জুলাই বিজ্ঞ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।
পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি নিয়ে তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মোস্তফা হোসেন রয়েলের দেওয়া তথ্যমতে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আরও একটি বড় ছোরা উদ্ধার করা হয়। মোস্তফা হোসেন রয়েল গত ৩১ জুলাই এবং সবুজ গত ৩ আগস্ট আদালতে নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য পলাতকদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন