মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের আসন্ন প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে বিশ্ববাজারে সোনার দাম কিছুটা বেড়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারের ভবিষ্যৎ গতিপথ বোঝার চেষ্টা করছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ড বা প্রতি আউন্স সোনার দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪০৬২.৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ০.৭ শতাংশ বেড়ে ৪১১৭.৫০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার কর্মসংস্থানের সুযোগের তথ্য, বুধবার এডিপি এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট এবং শুক্রবার নন-ফার্ম পেরোল ডেটা প্রকাশ পাবে। এই তথ্যগুলোর ওপর ভিত্তি করেই ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হারের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
মুম্বাইভিত্তিক কেডিয়া কমোডিটিজের পরিচালক অজয় কেডিয়া বলেন, ‘সোনা বর্তমানে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। যদি যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার দুর্বল হওয়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তবে ডলারের মান কমতে পারে এবং এর ফলে সোনার দাম আরও বাড়বে।’
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে মিশ্র সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার কথা বললেও ইরান তা অস্বীকার করেছে। এই অস্থিতিশীলতা জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি করছে। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির সময় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়ে।
তবে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে সোনার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়, কারণ সোনা কোনো নিয়মিত সুদ বা লভ্যাংশ দেয় না। বিনিয়োগকারীরা এখন সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন।
বহুজাতিক ব্যাংক সিটি (Citi) এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আগামী এক মাস সোনার দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে বা কিছুটা কমতে পারে। তবে বছরের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৫০০ ডলার এবং আগামী বছরের প্রথমার্ধে ৫ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে।
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারও ঊর্ধ্বমুখী। রুপার দাম ১.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৮.৮৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ০.৯ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দামও ০.৯ শতাংশ বেড়েছে।
\

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের আসন্ন প্রতিবেদনের দিকে তাকিয়ে বিশ্ববাজারে সোনার দাম কিছুটা বেড়েছে। বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারের ভবিষ্যৎ গতিপথ বোঝার চেষ্টা করছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ড বা প্রতি আউন্স সোনার দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪০৬২.৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ০.৭ শতাংশ বেড়ে ৪১১৭.৫০ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার কর্মসংস্থানের সুযোগের তথ্য, বুধবার এডিপি এমপ্লয়মেন্ট রিপোর্ট এবং শুক্রবার নন-ফার্ম পেরোল ডেটা প্রকাশ পাবে। এই তথ্যগুলোর ওপর ভিত্তি করেই ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হারের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
মুম্বাইভিত্তিক কেডিয়া কমোডিটিজের পরিচালক অজয় কেডিয়া বলেন, ‘সোনা বর্তমানে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। যদি যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার দুর্বল হওয়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তবে ডলারের মান কমতে পারে এবং এর ফলে সোনার দাম আরও বাড়বে।’
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে মিশ্র সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার কথা বললেও ইরান তা অস্বীকার করেছে। এই অস্থিতিশীলতা জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি করছে। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির সময় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বাড়ে।
তবে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে সোনার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়, কারণ সোনা কোনো নিয়মিত সুদ বা লভ্যাংশ দেয় না। বিনিয়োগকারীরা এখন সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন।
বহুজাতিক ব্যাংক সিটি (Citi) এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আগামী এক মাস সোনার দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে বা কিছুটা কমতে পারে। তবে বছরের শেষ নাগাদ প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৫০০ ডলার এবং আগামী বছরের প্রথমার্ধে ৫ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে।
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারও ঊর্ধ্বমুখী। রুপার দাম ১.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৮.৮৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ০.৯ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দামও ০.৯ শতাংশ বেড়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন