পশ্চিমবঙ্গের
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়
নজিরবিহীন হামলার মুখে পড়েছেন সাবেক
মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস
নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। দলীয়
কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে তার গাড়ি
বহরে ইট, পাথর ও
কাদা ছুড়ে মারে একদল
‘বিক্ষুব্ধ জনতা’।
এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা ব্যানার্জী
বলেছেন, "গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে
ইট-পাথরের আঘাতে আমার মাথা ফেটে
যেতে পারত, এমনকি আমি মারাও যেতে
পারতাম।"
জীবনে
কখনো এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি
হননি দাবি করে তিনি
আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না
নিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা
পালন করেছে এবং তারা কেবল
বিজেপিকে নিরাপত্তা দেয়।
ঘটনার
সূত্রপাত উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে।
সম্প্রতি চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে প্রাণ হারান সাবেক তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মার স্বামী
বীরজু কেওট।
নিহতের
স্ত্রীর অভিযোগ, পুলিশি নির্যাতনেই মৃত্যু হয়েছে তার স্বামীর। নিহত
কর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হালিশহর
যাওয়ার পথেই মমতার গাড়ি
ঘিরে ধরে বিক্ষোভকারীরা। এ
সময় গাড়িতে কাদা মেখে দেওয়া
হয় এবং জুতা ও
পানির বোতল ছোড়া হয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে লোকসভা সদস্য
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সদস্য
দোলা সেন প্রশাসনের কঠোর
সমালোচনা করেন।
তৃণমূল
নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলে বলেন, "কোনো
ব্যক্তির নাম এফআইআরে না
থাকা সত্ত্বেও যদি তাকে পুলিশ
হেফাজতে নেওয়া হয় এবং সেখান
থেকে সে জীবিত বের
হতে না পারে, তাহলে
এটি আইনের শাসন নিয়েই প্রশ্ন
তৈরি করে।"
অন্যদিকে,
এই হামলার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন,
"বিজেপি এই ঘটনার সঙ্গে
কোনোভাবেই যুক্ত নয়। যারা হামলার
সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।"
বিধানসভা
নির্বাচনে তৃণমূলের বিপর্যয়ের পর থেকে এমনিতেই
রাজ্যটিতে রাজ রাজনৈতিক উত্তাপ
তুঙ্গে। এর আগে অভিষেক
বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার পর
এবার খোদ সাবেক মুখ্যমন্ত্রী
মমতা ব্যানার্জীর গাড়ি বহরে আক্রমণের
এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতির
সমীকরণকে আরও ঘোলাটে ও
উত্তপ্ত করে তুলল।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়
নজিরবিহীন হামলার মুখে পড়েছেন সাবেক
মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস
নেত্রী মমতা ব্যানার্জী। দলীয়
কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে তার গাড়ি
বহরে ইট, পাথর ও
কাদা ছুড়ে মারে একদল
‘বিক্ষুব্ধ জনতা’।
এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা ব্যানার্জী
বলেছেন, "গাড়ির জানালা বন্ধ না থাকলে
ইট-পাথরের আঘাতে আমার মাথা ফেটে
যেতে পারত, এমনকি আমি মারাও যেতে
পারতাম।"
জীবনে
কখনো এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি
হননি দাবি করে তিনি
আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না
নিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা
পালন করেছে এবং তারা কেবল
বিজেপিকে নিরাপত্তা দেয়।
ঘটনার
সূত্রপাত উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে।
সম্প্রতি চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে প্রাণ হারান সাবেক তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মার স্বামী
বীরজু কেওট।
নিহতের
স্ত্রীর অভিযোগ, পুলিশি নির্যাতনেই মৃত্যু হয়েছে তার স্বামীর। নিহত
কর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হালিশহর
যাওয়ার পথেই মমতার গাড়ি
ঘিরে ধরে বিক্ষোভকারীরা। এ
সময় গাড়িতে কাদা মেখে দেওয়া
হয় এবং জুতা ও
পানির বোতল ছোড়া হয়।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে লোকসভা সদস্য
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সদস্য
দোলা সেন প্রশাসনের কঠোর
সমালোচনা করেন।
তৃণমূল
নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলে বলেন, "কোনো
ব্যক্তির নাম এফআইআরে না
থাকা সত্ত্বেও যদি তাকে পুলিশ
হেফাজতে নেওয়া হয় এবং সেখান
থেকে সে জীবিত বের
হতে না পারে, তাহলে
এটি আইনের শাসন নিয়েই প্রশ্ন
তৈরি করে।"
অন্যদিকে,
এই হামলার অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন,
"বিজেপি এই ঘটনার সঙ্গে
কোনোভাবেই যুক্ত নয়। যারা হামলার
সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।"
বিধানসভা
নির্বাচনে তৃণমূলের বিপর্যয়ের পর থেকে এমনিতেই
রাজ্যটিতে রাজ রাজনৈতিক উত্তাপ
তুঙ্গে। এর আগে অভিষেক
বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার পর
এবার খোদ সাবেক মুখ্যমন্ত্রী
মমতা ব্যানার্জীর গাড়ি বহরে আক্রমণের
এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতির
সমীকরণকে আরও ঘোলাটে ও
উত্তপ্ত করে তুলল।

আপনার মতামত লিখুন