সংবাদ

সখিপুরে সংরক্ষিত বনভূমিতে নির্মাণাধীন দোকান উচ্ছেদ


প্রতিনিধি, সখীপুর (টাঙ্গাইল)
প্রতিনিধি, সখীপুর (টাঙ্গাইল)
প্রকাশ: ৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

সখিপুরে সংরক্ষিত বনভূমিতে নির্মাণাধীন দোকান উচ্ছেদ
ছবি : সংবাদ

টাঙ্গাইলের সখিপুরে সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে নির্মাণাধীন দোকানঘর উচ্ছেদ করেছে বন বিভাগ। জবরদখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

রোববার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বগা মৌজার সংরক্ষিত বনভূমির সিএস ৪৫ নম্বর দাগের এম এম চালা বিটের হলিদাচালা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। টাঙ্গাইলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেবের নেতৃত্বে ধলাপাড়া, বাঁশতৈল ও হতেয়া রেঞ্জের সহযোগিতায় বহেড়াতলী রেঞ্জের সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন। এ সময় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে নির্মাণাধীন প্রায় ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়।

বহেড়াতলী রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী জানান, জবরদখলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আট ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগী শাহানাজ বলেন, দেশে অনেকেই বন বিভাগের জমিতে বড় বড় অট্টালিকা গড়ে তুলেছেন, তবু তাদের ভবন ভাঙা হয় না, অথচ তার চারটি ছোট দোকান ভেঙে দিয়েছে বন বিভাগ। সবার রেকর্ডভুক্ত জমি না থাকলেও অনেকে খাসজমিতে বসবাস করছেন বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এ বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী বলেন, সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না এবং জবরদখলবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬


সখিপুরে সংরক্ষিত বনভূমিতে নির্মাণাধীন দোকান উচ্ছেদ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের সখিপুরে সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে নির্মাণাধীন দোকানঘর উচ্ছেদ করেছে বন বিভাগ। জবরদখলের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

রোববার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বগা মৌজার সংরক্ষিত বনভূমির সিএস ৪৫ নম্বর দাগের এম এম চালা বিটের হলিদাচালা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। টাঙ্গাইলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেবের নেতৃত্বে ধলাপাড়া, বাঁশতৈল ও হতেয়া রেঞ্জের সহযোগিতায় বহেড়াতলী রেঞ্জের সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন। এ সময় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে নির্মাণাধীন প্রায় ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়।

বহেড়াতলী রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী জানান, জবরদখলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আট ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগী শাহানাজ বলেন, দেশে অনেকেই বন বিভাগের জমিতে বড় বড় অট্টালিকা গড়ে তুলেছেন, তবু তাদের ভবন ভাঙা হয় না, অথচ তার চারটি ছোট দোকান ভেঙে দিয়েছে বন বিভাগ। সবার রেকর্ডভুক্ত জমি না থাকলেও অনেকে খাসজমিতে বসবাস করছেন বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এ বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী বলেন, সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে কোনো স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না এবং জবরদখলবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত