জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক গৃহবধূকে ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেইল ও একাধিকবার ধর্ষণের মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নিমাইমারী গ্রামের আশকর আলী (৪০) ও জাহিদুল ইসলাম (৩৫)।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক মামলার নথির বরাত দিয়ে জানান, ভুক্তভোগী নারী ও আসামিরা একই গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা ওই গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় ওই নারীর ছবি বিকৃত করে আপত্তিকর ছবি তৈরি করেন তারা। পরে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এবং তার স্বামী ও সন্তানকে হত্যার হুমকি দিয়ে আশকর আলী ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ রাতে ওই নারীর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে জাহিদুল ইসলামের সহায়তায় আশকর আলী আবারও তাকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে স্বামী বাড়িতে ফিরে বাধা দিলে আসামিরা স্বামী-স্ত্রী দুজনকে মারধর করেন। তাদের চিৎকারে এক প্রতিবেশী এগিয়ে এলে তাকেও লাঞ্ছিত করা হয়। যাওয়ার সময় আসামিরা মুঠোফোনে আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ করেন এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এই ঘটনার ১০ দিন পর ১০ এপ্রিল ভুক্তভোগী গৃহবধূর ছেলে বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় তিনজনের নামে মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আশকর ও জাহিদুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার আদালত এই রায় দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অন্য এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক গৃহবধূকে ছবি বিকৃত করে ব্ল্যাকমেইল ও একাধিকবার ধর্ষণের মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নিমাইমারী গ্রামের আশকর আলী (৪০) ও জাহিদুল ইসলাম (৩৫)।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক মামলার নথির বরাত দিয়ে জানান, ভুক্তভোগী নারী ও আসামিরা একই গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা ওই গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় ওই নারীর ছবি বিকৃত করে আপত্তিকর ছবি তৈরি করেন তারা। পরে সেই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এবং তার স্বামী ও সন্তানকে হত্যার হুমকি দিয়ে আশকর আলী ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, ২০২২ সালের ৩১ মার্চ রাতে ওই নারীর স্বামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে জাহিদুল ইসলামের সহায়তায় আশকর আলী আবারও তাকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে স্বামী বাড়িতে ফিরে বাধা দিলে আসামিরা স্বামী-স্ত্রী দুজনকে মারধর করেন। তাদের চিৎকারে এক প্রতিবেশী এগিয়ে এলে তাকেও লাঞ্ছিত করা হয়। যাওয়ার সময় আসামিরা মুঠোফোনে আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ করেন এবং ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এই ঘটনার ১০ দিন পর ১০ এপ্রিল ভুক্তভোগী গৃহবধূর ছেলে বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় তিনজনের নামে মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আশকর ও জাহিদুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার আদালত এই রায় দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অন্য এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন