বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর ওপর নির্মিত শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত (দপদপিয়া) সেতুটি এখন যাতায়াতের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুর পিচ ঢালাই উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে এই সেতু দিয়ে চলাচলের সময় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রায় ১ দশমিক ৩৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত সেতুটিতে বড় ধরনের কোনো সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনা–এই তিন জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সেতু। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাগামী পর্যটক ছাড়াও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, নভোথিয়েটার ও মেরিন একাডেমির শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের নিয়মিত এই পথেই চলাচল করতে হয়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জুয়েল মাহমুদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে চলাচলের সময় আমাদের আতঙ্কিত থাকতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। সেতুটি দ্রুত সংস্কার করা এখন সময়ের দাবি।’
সাকুরা পরিবহনের চালক ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘সেতুতে এত বেশি খানাখন্দ যে গাড়ি চালানো দায়। একটু অসাবধান হলেই বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।’
বরিশালের সচেতন নাগরিকরা বলছেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের গাফিলতির কারণেই সেতুর আজ এই দশা। তাদের মতে, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে এত বড় গর্ত তৈরি হতো না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদ খান বলেন, ‘সেতুর উপরিভাগ নতুন করে সারফেসিং করার জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ষা শেষ হলেই দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হবে।’
সোমবার (১০ আগস্ট) বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার ও বিভাগীয় কমিশনার সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীদের নিয়ে সেতুটি পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক জানান, জনভোগান্তি লাঘবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর ওপর নির্মিত শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত (দপদপিয়া) সেতুটি এখন যাতায়াতের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুর পিচ ঢালাই উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ফলে এই সেতু দিয়ে চলাচলের সময় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।
২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রায় ১ দশমিক ৩৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত সেতুটিতে বড় ধরনের কোনো সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনা–এই তিন জেলার মানুষের সড়কপথে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সেতু। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটাগামী পর্যটক ছাড়াও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, নভোথিয়েটার ও মেরিন একাডেমির শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের নিয়মিত এই পথেই চলাচল করতে হয়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জুয়েল মাহমুদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে চলাচলের সময় আমাদের আতঙ্কিত থাকতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। সেতুটি দ্রুত সংস্কার করা এখন সময়ের দাবি।’
সাকুরা পরিবহনের চালক ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘সেতুতে এত বেশি খানাখন্দ যে গাড়ি চালানো দায়। একটু অসাবধান হলেই বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।’
বরিশালের সচেতন নাগরিকরা বলছেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের গাফিলতির কারণেই সেতুর আজ এই দশা। তাদের মতে, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করলে এত বড় গর্ত তৈরি হতো না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদ খান বলেন, ‘সেতুর উপরিভাগ নতুন করে সারফেসিং করার জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ষা শেষ হলেই দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হবে।’
সোমবার (১০ আগস্ট) বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার ও বিভাগীয় কমিশনার সড়ক বিভাগের প্রকৌশলীদের নিয়ে সেতুটি পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক জানান, জনভোগান্তি লাঘবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন